News

‘আপনি তো আর বেশিদিন নাই স্যার’

‘আপনি তো আর বেশিদিন নাই স্যার’: হল শাখা ছাত্রদলের সুদৃঢ় আয়োজন ও সংঘটিত বিতর্ক আপন ত আর ব শ দ ন - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলে প্রাধ্যক্ষকে

Desk News
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

‘আপনি তো আর বেশিদিন নাই স্যার’: হল শাখা ছাত্রদলের সুদৃঢ় আয়োজন ও সংঘটিত বিতর্ক

আপন ত আর ব শ দ ন – রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলে প্রাধ্যক্ষকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) হল প্রশাসন কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল কিন্তু অনুমতি ছাড়াই অনাবাসিক শিক্ষার্থী ওঠানোর ঘটনার কারণে তালা খুলে দেয়া হয়।

সংঘটনার প্রাথমিক বিবরণ

হল সূত্রে জানানো হয় যে, কয়েকদিন আগে প্রাধ্যক্ষ মো. আতাউল্লাহ ছাত্রদলের সভাপতি মুরাদ হোসেন প্রভোস্টের অনুমতি ছাড়া হলের ১৫৮ নম্বর কক্ষে দুই অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে ওঠানো হয়। ছাত্রদ্বয় হলে বৈধ আসনপ্রাপ্ত বলে দাবি করেন। কামরুজ্জামান আপন এবং জাবিদ নামে দুই ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য।

প্রাধ্যক্ষের কথোপকথন সম্পর্কে তথ্য

প্রাধ্যক্ষ মো. আতাউল্লাহ বলেন, “দুপুর আড়াইটা বা তিনটার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। ওপাশ থেকে বলা হয়, ‘স্যার, আপনি রুম খুলে দিবেন কিনা বলেন। আপনাকে আধাঘণ্টা সময় দিলাম। আপনি তালা খুলে দিলে দেন, না হলে আমি নিজে গিয়ে তালা ভেঙে ফেলব।’ কথোপকথনের একপর্যায়ে সে আরও বলে, ‘আপনি তো আর বেশিদিন নাই স্যার’।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সিনক্রিয়েট তৈরি হতে পারে আশঙ্কায় প্রাধ্যক্ষ কর্মচারীদের দিয়ে তালা খুলিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি ভাবলাম বিষয়টি নিয়ে হলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। সেদিনই প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সভা ছিল। সেখানে বিষয়টি উত্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তালা খুলে দিতে বলি।”

হল পরিষদ ঘটনাটির তীব্র নিন্দা ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বলেও জানান প্রাধ্যক্ষ। বুধবার (২০ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, কক্ষে বর্তমানে দুই ছাত্র অবস্থান করছেন। তারা হলে ওঠার জন্য আবেদন করেছিলেন আর্থিক সমস্যার কারণে। হলের উপ-রেজিস্ট্রার করিম আলী তাকে গণরুমে ওঠার পরামর্শ দেন বলে দাবি তার।

তবে শিক্ষার্থীদের ওই কক্ষে থাকতে পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন করিম আলী। তিনি বলেন, “আমি হলের কোনো বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ স্যারকে না জানিয়ে কিছু করি না। সবসময় রুম খালি করার চেষ্টা করি। ওরা কীভাবে বরাদ্দ ছাড়া সেখানে ছিল, সেটা জানি না।”

সংগৃহিত ছবি: অভিযুক্ত মুরাদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, “বিষয়টি আমি এখনো পুরোপুরি জানি না। মুরাদও আমাকে কিছু জানায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। অভিযোগ পেলে সংগঠন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।”

Leave a Comment