ঈদ যাত্রার পথে যানজটের বাড়াবাড়ি ভোগান্তি আবিষ্ট হয়েছে
ঈদয ত র য় ভ গ ন – নারায়ণগঞ্জ শহরের ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এবং এশিয়ান হাইওয়েতে (ঢাকা বাইপাস) সংস্কার কাজ চলছে। এতে আসন্ন ঈদুল আযহার সময় যানজটের কারণে যাত্রীদের প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনা বা যানবাহনের ক্ষতি হলে এ বাড়াবাড়ি আরও গুরুতর হতে পারে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কেও প্রতিনিয়ত যানজটের আশঙ্কা ছিল। কিছু জায়গায় ছোট-বড় গর্ত দেখা যায়। বৃষ্টির পানি জমে আছে। ফলে এ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হওয়া সত্ত্বেও যানজট দেখা দিয়েছে।
“আমরা তিন-চার বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছি। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বাইশ ঘণ্টা এখানে জ্যাম লাগে। গর্তে একটি চাকা পড়লে ওঠার সুযোগ নেই।”
ঢাকা বাইপাস মহাসড়কের মদনপুর অংশে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক কাজল কান্তি নাথ জানান, রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। কিছুদূর পরপর ভাঙা হয়েছে। সংস্কার কাজ চলছে কিন্তু রাস্তা প্রশস্ত না হওয়ায় যানবাহনের চাপ সামলানো যাচ্ছে না।
গৃহিনী মোসাম্মৎ সাথী প্রতিবেদন
তারাব বিশ্বরোড এলাকায় এক গৃহিনী মোসাম্মৎ সাথী জানান, বাস অপেক্ষায় কমপক্ষে ২৫ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তিনি বলেন, “প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু বাস আসতে পারছে না। কারণ, যানজট। যানজট না থাকলে পাঁচ মিনিটে গাড়ি পাওয়া যেতো।”
হাইওয়ে পুলিশের প্রস্তুতি
মহাসড়কে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যদেরও কাজ করতে দেখা গেছে। জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী উপপরিদর্শক মো. সাহাবুল বলেন, “যানবাহন গতি ধীর হলে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। আমরা কয়েকটি পয়েন্টে কাজ করছি।”
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে টোলপ্লাজা এলাকায় টোল কালেকশনে দেরি হলে জ্যাম লেগে যায়। কোথাও এক্সিডেন্ট হলে বা গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলে লম্বা জ্যাম তৈরি হয়েছিল। গত শুক্রবার (১৫ মে) মেঘনা টোলপ্লাজায় দুর্ঘটনার কারণে সাড়ে তিন ঘণ্টা বিশেষ করে এক জায়গায় বাস অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাইফুল বলেন, এ প্রকল্পের দায়িত্বে রয়েছে সড়ক বিভাগের প্রধান কার্যালয়। কাজ কতটুকু এগিয়েছে তা তিনি বলতে পারবেন। মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, ঈদযাত্রার সময় পশুবাহী যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে না হয় তার জন্য প