শক্তিশালী দল নিয়েও বিশ্বকাপে হোঁচট খেতে পারে জার্মানি!
প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিশ্বাস বিশ্বাস করে জার্মানি
শক ত শ ল দল ন য় – ফুটবল বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতার জন্য জার্মানি একটি প্রতিষ্ঠিত দল। গত চার বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এ দলের জন্য কোনো দুর্বলতা নেই। তবে লড়াকু চরিত্র এবং হারার আগে হাল ছাড়া প্রতিযোগিতা সম্পর্কে এ দলের সুপ্রীম স্বাধীনতা রয়েছে।
প্রাক্তন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক গ্যারি লিনেকার এক কথায় বলেছিলেন, “ফুটবল খুব সাধারণ খেলা। ৯০ মিনিট ধরে ২২ জন খেলোয়াড় একটি বলের জন্য দৌড়ে থাকে। খেলার শেষে সবসময় জার্মানিই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিকে পরাজিত করে।” এ বিশ্বাসটি প্রমাণ করে কোনো দলই জার্মানিকে কম গুরুত্ব দেয় না।
ফুটবল খুব সাধারণ খেলা। ৯০ মিনিট ধরে ২২ জন খেলোয়াড় একটি বলের জন্য দৌড়ে থাকে। খেলার শেষে সবসময় জার্মানিই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিকে পরাজিত করে।
জার্মানির মাঝমাঠ: আক্রমণের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করেছে
জার্মানির মাঝমাঠ অসাধারণ দক্ষতার মাধ্যমে খেলার শুরু থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরিচালনা করে। স্বাধীন সৃষ্টি এবং সামগ্রিক বিস্তারে তারা প্রধান দাবিদার হিসাবে উপস্থিত হয়।
নাগেলসম্যান কোচ হিসাবে দলকে সংগঠিত পরিবর্তন করেছেন। স্পেশাল ফর্মেশনে রক্ষণ এবং মাঝমাঠে আরও সংগঠিত সমন্বয় করা হয়েছে। বলের সংস্পর্শে দ্রুত প্রতিক্রিয়া তৈরি করে দলটি হারানো রয়েছে কিছু সম্ভাবনা কাজ করে।
সম্ভাবনা: গ্রুপ পর্বে জার্মানির চ্যালেঞ্জ
জার্মানি গ্রুপ ‘ই’ তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আইভোরি কোস্ট, ইকুয়েডর এবং কুরাসাও। এ দলের সত্যিকারো পরীক্ষা কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু হবে।
দুর্বলতা: রক্ষণের অস্থায়িতা
জার্মানির রক্ষণ স্থায়ী নয়। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে খেলোয়াড়রা সেন্টার লাইনে বেশি সময় থাকে। তার ফলে দ্রুত গতির আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়। গোল হারিয়ে দিতে হয় কখনও কখনও জার্মানি কারণ রয়েছে বিশেষ করে মাঝমাঠ এবং রক্ষণের মধ্যে ফাঁক।
মানসিক চাপ: নতুন শিক্ষা প্রয়োজন
গত কয়েক বছরে জার্মানি মানসিক চাপ দেখেছে। নক আ