সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ব্যবস্থা করছে ভুয়া কনটেন্ট প্রতিরোধে
ভ য় কনট ন ট ঠ ক – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং সাইবার স্পেসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রচারিত গোয়েন্দা বা অপতথ্য নিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট রোধ করতে সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মতপ্রকাশ স্বাধীনতার সীমা সংজ্ঞায়িত করার প্রস্তাব
সোমবার (৮ জুন) সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যে ধরনের কনটেন্ট প্রচারিত হচ্ছে, তা আদৌ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতায় পড়ে কি না, সে বিষয়ে নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
সাইবার স্পেসের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণের কাজ চলছে যাতে ভার্চুয়াল মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো একত্রিত হয়ে আসে। সংশোধিত আইনে গুজব, অপতথ্য, মানহানি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের সংজ্ঞা পরিষ্কার করা হবে। এছাড়া তৈরি ও প্রচার করা কনটেন্ট প্রতিরোধে নতুন শাস্তির বিধান সংযোজন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপমানজনক ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে আরো কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণের বিধান আনা হবে।
বর্তমানে কোনো কনটেন্ট অপসারণের অনুরোধ করলেও অনেক ক্ষেত্রে তা কার্যকর হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আদৌ ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তাই আইনে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কনটেন্ট অপসারণ বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সাইবার স্পেসে প্রচারিত কনটেন্ট রোধে নতুন ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে সরকারের অনুমোদিত অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআ