বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে অবতরণের সম্ভাবনা আছে
ব শ বব জ র আরও কমল – বিশ্ববাজারে আরও কমেছে স্বর্ণের দাম, এটি বৈশ্বিক বাজারে অনেক সময় ঘটে যাওয়া একটি স্থায়ী প্রবণতা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এবং আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দাম হ্রাস দেশের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণ দাম কমে গেলে বাংলাদেশে মূল্য কমানোর প্রবণতা বাড়তে পারে যেহেতু স্বর্ণ সর্বাধিক প্রাধান্য পায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিময় হার বাড়ানো প্রতিযোগিতার মুখে। সম্প্রতি প্রতিবেদনগুলি জানিয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কমে গেছে যা বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়তে পারে।
বাজারের প্রবণতা কীভাবে চলছে
সোমবার (৮ জুন) রয়টার্স প্রতিবেদনে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩২১ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে এসেছে। গত শুক্রবার মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদনে ইতিবাচক তথ্যের ফলে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, সেই সময় স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছিল। এটি ছিল গত ২৪ মার্চের পর সর্বনিম্ন হ্রাস। একাধিক অর্থনৈতিক কারণ দ্বারা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম হ্রাস পেয়েছে, যার মধ্যে মার্কিন সুদের হারের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিশোধের পরিস্থিতি অন্যতম। বর্তমান সময়ে স্বর্ণ খরচ কমিয়ে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে পারে কারণ দেশের বাজারে মূল্য কমানো হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
মার্কিন সুদের হার এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাব
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম হ্রাসের প্রধান কারণগুলি মার্কিন সুদের হারের প্রত্যাশিত বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে অনুমানের বৃদ্ধি হিসেবে দেখা গেছে। মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদন অনুযায়ী সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা দেশের স্বর্ণ বাজারে একটি প্রভাব ফেলেছে। বিশ্ববাজারে আরও কমল স্বর্ণের দামের পরিণতি প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে, যার ফলে বাংলাদেশে স্বর্ণের প্রতি আউন্স দাম কমতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে, যে পরিণতি ছিল বৈশ্বিক তেল দাম ব্যারেল প্রতি ২ ডলারের বেশি বৃদ্ধি। এটি বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কমানোর জন্য একটি কারণ হতে পারে কারণ তেল মূল্য বৃদ্ধি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ভুগুন দেশগুলিকে স্বর্ণ বাজারে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা বাড়ায়