পল্লী অঞ্চলে ঠিকাদারিতে নিম্নমানের কাজ, পিপিআর সংশোধনের আশ্বাস এলজিআরডি মন্ত্রীর
পল ল অঞ চল ঠ ক দ – নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিন জাতীয় সংসদে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজের গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন, কিছু স্থানীয় এলাকার উন্নয়ন কাজ অন্য জেলা বা বিভাগের বড় ঠিকাদারদের হাতে চলে যাচ্ছে, যারা প্রকল্প এলাকায় নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না এবং স্থানীয় বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা নেই।
তিনি অভিযোগ করেন, এসব বড় ঠিকাদার কাজ পাওয়ার পর অদক্ষ ব্যক্তিদের কাছে গোপনে হস্তান্তর করেন। ফলে প্রকল্পের মূল বাজেট কমে যায় এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন হয়। গ্রামীণ অবকাঠামোর স্থায়িত্ব এবং গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঠিকাদারি ব্যবস্থায় কাজের মানহানির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এলজিইডির আওতায় দুটি পদ্ধতিতে কাজ সম্পাদিত হয়। পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রকল্প সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে নিবন্ধিত ঠিকাদাররাই অংশগ্রহণ করতে পারেন।
অন্যদিকে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশের যেকোনো প্রান্তের ঠিকাদার কাজ পাওয়ার সুযোগ পান। তিনি যোগ দেন, প্রভাবশালী কিছু ঠিকাদার কাগজে-কলমে শক্তিশালী প্রোফাইল দেখিয়ে স্থানীয় কাজের হাতবদল করে দেন।
পরে সম্পূরক প্রশ্নে আশরাফ উদ্দিন ই-জিপি ব্যবস্থার দুর্বলতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বড় ঠিকাদাররা কাজ বাস্তবায়ন না করে অনেক ধাপে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রি করে দেন। এর ফলে প্রকল্প ব্যয় কমে যায় এবং কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়।
এ বিষয়ে মন্ত্রী সংসদ সদস্যদের উদ্বেগের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি জানান, মাঠপর্যায়ে এমন সমস্যার বিষয়ে সরকার অবগত। সংশোধনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যাতে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।