Bangladesh

নেছারাবাদে ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের মৃত্যু, স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ

নেছারাবাদে ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের মৃত্যু, স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ ন ছ র ব দ ফ সব - নেছারাবাদে ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকার মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।

Desk Bangladesh
Published July 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
80b65175-6262-4bb8-bdaf-5757123a930d-0
Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

নেছারাবাদে ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের মৃত্যু, স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ

Banglabeacon.com – ন ছ র ব দ ফ সব – নেছারাবাদে ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকার মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ঘটনার দিন মঙ্গলবার সকালে ঢাকার ভাড়া বাসায় সজল কুমার দেউরী (৩২) মৃত্যুর পরিচয় দেয়। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তার পরিবার দাবি করেন যে স্ত্রীর পরকীয়া এবং দাম্পত্য কলহের কারণে ওই যুবক মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যা করেন। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

সমালোচনা এবং পরিবারের অভিযোগ

সজলের ছোট ভাই তুহিন দেউরী জানান, তার ভাইয়ের সংসারে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। তার স্ত্রী রঞ্জিতা রানী হালদার এবং শোভন বেপারীর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছিল। এ নিয়ে সজল ও স্ত্রীর প্রায়ই ঝগড়া হতো। গতকাল ঝগড়া চূড়ান্ত হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেসবুক লাইভে সংঘটিত ঘটনার পর এলাকার মানুষ তাঁকে আরও বেশি শিক্ষা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

সম্পর্ক চূড়ান্ত হয়েছিল বলে অভিযোগ

বলদিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মনোজ ঢালী বলেন, ‘ফেসবুক লাইভে সজল কুমার দেউরীর মৃত্যু ঘটার আগে এলাকায় তার স্ত্রী এবং শোভন বেপারীর সম্পর্ক নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তিনি জানান যে সজলের স্ত্রী এবং শোভন বেপারী ঘটনার পর এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁদের বিয়ের পর এই ঘটনার সম্ভাবনা আলোচনা করা হয়েছিল বলে একটি সূত্র দাবি করে।

ফেসবুক লাইভে বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য সাংবাদিক ও আত্মহত্যার সময়ে তার স্ত্রী রঞ্জিতা রানী হালদারের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি কারণ বাড়িতে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর সম্পূর্ণ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছিল।

পুলিশের তদন্নার পরিস্থিতি

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, ফেসবুক লাইভে ঘটনার বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। তাঁদের মতে সজল এবং রঞ্জিতা রানী হালদারের মধ্যে বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলা হয়েছিল।

সজলের ১০ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর তাঁদের সংসারে অস্থিতি সৃষ্টি হয়। ঘটনার স্থানে কর্মকর্তারা তদন্না শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্ট স্থানীয় বাসিনদের মতে ফেসবুক লাইভ এলাকার ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে বিপ্লবে জড়ানোর কারণ হতে পারে।

এই ঘটনার পর এলাকার মানুষ বিশ্বাস করেন যে সমাজে বিশেষ করে ফেসবুক লাইভে বিষয়টি আরও বিস্তার পেতে পারে। তাঁদের মতে যুবকের মৃত্যু বিশেষ করে বাড়ির সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে ঘটেছে। এ বিষয়ে আরও তদন্না চালু করা হবে বলে পুলিশ জানায়।

সজলের মৃত্যুতে এলাকার পরিবারগুলো এবং সমাজ অনেকটা পরিষ্�

Leave a Comment