নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য, সংসদে হট্টগোল
ন র এমপ দ র প শ – নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে সংসদে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, যার প্রবাহ বিএনপির এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে। সংসদের অধিবেশনে তাঁর আপত্তি প্রকাশ করার পর বিতর্কের শুরু হয়, যেখানে বিরোধী দলের সদস্যদের ক্রোধ ও প্রতিবাদ শুনা যায়। এ ঘটনার প্রতি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বিশেষ করে তাঁর বক্তব্যের অংশ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেন, যে ক্রিয়া বিশেষ মাত্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বিতার বাড়িয়ে তোলে।
মন্তব্যের প্রতিবাদ এবং বিরোধীদলের প্রতিক্রিয়া
মনিরুল হক চৌধুরী তাঁর মন্তব্যে বলেন, “নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে আলোচনা করা উচিত, কিন্তু কেবল তাদের দেখা কিছু স্থানে যেমন দুইজনের বক্তৃতা শুনেছি, ভবিষ্যৎ আছে, লেখাপড়া জানা, কিন্তু কারা তাদের বাইরে দেখতে পারেন সেটা বুঝব না।” এই বক্তব্য বিশেষ করে সংসদের বৈষম্য সম্পর্কে আলোচনা ঘটায়, যেখানে নারী সদস্যদের সামাজিক প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা চালু হয়। বিশেষ করে তিনি বলেন, “মন্ত্রী হোসেন তার কর্মসূচি চালিয়েছেন, কিন্তু নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে আলোচনা বিশেষ মাত্রায় নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিতর্ক তুলে আসে।
“তাহের সাহেব আমার দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী প্রত্যাহার করেছিলেন, কিন্তু আমাদের কোনও কিছু দেখা হয়নি। আমি মনে করি, সবাই স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারেন।”
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তাঁর আপত্তি গ্রহণ করেন, যে ক্রিয়া বিতর্ককে আরও জোরদার করে।
রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংসদীয় বিতর্কের সময় এই ঘটনা ঘটে। বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, “খন্দকার মোশাররফ হোসেন মন্ত্রী হওয়ার পর সংসদ সদস্যদের স্ত্রীসহ দাওয়াত দিয়েছিলেন, কিন্তু এই প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোনও আলোচনা ঘটে নি। ঢোকার পর দেখি একটা কিছু হাঁটতেছে। এখানে নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য একটি বিশেষ প্রশ্ন উঠে আসে।
পোশাক নিয়ে আলোচনা এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া
সংসদে নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য বিশেষ করে সমাজে সংঘটিত হয়। বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের হাউজে বোনেরা এমপি হয়ে এসেছেন, কিন্তু সবাই একই বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসেন। নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে আলোচনা হলো না, বরং তাদের অপমান করা হয়। সংসদে আমাদের মন্তব্য প্রকাশ করার অধিকার আছে, কিন্তু সমাজে এটি প্রশ্ন উঠে আসে।”
বিশেষ করে এই বিতর্ক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে নারী এমপিদের পোশাক সম্পর্কে সামাজিক আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ করে সংসদীয় সমাজে পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা হয়। এ ঘটনার পর বিশেষ করে জামায়াত নেতার বিষয়টি সংসদে আলোচনা করা হয়। এটি সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ বৈষম্য ঘটায