তরুণ ও যুব সমাজ এখন অনলাইন জুয়ার কারণে বিপথগামী হচ্ছে
সর বন শ অনল ইন জ য় – সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন জায়গায় অনলাইন জুয়া হারে ছড়িয়ে পড়ছে। স্মার্টফোন ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতার কারণে শহর থেকে গ্রামে পর্যন্ত এই অপরাধ বিস্তৃত হয়েছে। আর এতে পরিবার সম্পত্তি হারাচ্ছে এবং চুরি, ছিনতাই এবং মাদক আসক্তির মতো অপরাধের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিপর্যয় সৃষ্টির পরিণতি
অনলাইন জুয়া বিপর্যয়ের শিকার হয়ে অনেক পরিবার নীরবে ধ্বংস হচ্ছে। ঋণের চাপ কাটতে না পেরে কিছু ব্যক্তি এলাকা থেকে ছাড়িয়েছেন, কিছু বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। সমাজকর্মী সালেহীন চৌধুরী শুভ বলেন, অনলাইন জুয়া বিপর্যয়ের শিকার হয়ে অনেক পরিবার নীরবে ধ্বংস হচ্ছে।
“অনলাইন জুয়া বিপর্যয়ের শিকার হয়ে অনেক পরিবার নীরবে ধ্বংস হচ্ছে। ঋণের চাপ কাটতে না পেরে কিছু ব্যক্তি এলাকা থেকে ছাড়িয়েছেন, কিছু বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।”
সামাজিক ধ্বংস বৃদ্ধির প্রক্রিয়া
অনলাইন জুয়া এখন সামাজিক সমস্যা হিসেবে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। বিভিন্ন পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর তদারকি ছাড়া এই অপরাধ রোধ করা কঠিন হয়ে আসছে। দিরাই সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম তালুকদার মনে করেন, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তদারকি ছাড়া অনলাইন জুয়া প্রবণতা রোধ করা কঠিন।
বর্তমানে গ্রামের চায়ের দোকান বা মুদি দোকানে এখন অনলাইন জুয়া আসর বসছে। বাইরে থেকে সাধারণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মনে হলেও ভেতরে মোবাইল ফোনের পর্দায় হাজার হাজার টাকার বাজি চলছে। ক্রিকেট, ফুটবল, আইপিএল বেটিং এবং এভিয়েটর গেমের পাশাপাশি জনপ্রিয় লুডু খেলাও অনলাইন জুয়ার বড় হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনমনে চরম অস্থিরতা
সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শামস শামীম বলেন, অনলাইন জুয়া এখন একটি বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত