মামলার রায় ঘোষণার কিছু আগে গ্রেপ্তারের তারিখে গরমিল
এএসআই চঞ চল র গ র প – রোববার এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের গ্রেপ্তারের তারিখে সংঘটিত বিবাদের কারণে জুলাই ২৪ আন্দোলনের প্রতিবাদী মামলার রায় ঘোষণার প্রক্রিয়ায় অস্পষ্টতা ছড়িয়ে পড়েছে। মামলার সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুর রউফের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গত ২৮ জানুয়ারি। তবে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েলের অফিস আদেশে তার গ্রেপ্তারি তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে গত ২৬ জানুয়ারি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী তথ্যের বিভ্রান্তি তুলে ধরেন
চঞ্চল চন্দ্র সরকারের গ্রেপ্তারের তারিখে সংঘটিত বিপর্যয় নিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আরশাদুল হক বাবু প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তিনি জানান, খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপারের আদেশ অনুযায়ী তার মক্কেলকে গত ২৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে নব্বুর ঘটিকায় দীঘিনালা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুর রউফের প্রতিবেদনে তার গ্রেপ্তারের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে গত ২৮ জানুয়ারি।
“আসামিকে গত ২৬ তারিখ রাতে গ্রেপ্তার করা হলেও আইও জবানবন্দিতে বলেছেন ২৮ তারিখ। তথ্যের এই গরমিলের কারণে আমরা ট্রাইব্যুনালে ২৪ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চঞ্চলের ডিউটি রোলকল এবং আরেস্ট অর্ডার চেয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল আমাদের আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।”
নথিপত্রে এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহার দ্বারা। তিনি বলেন, “খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে আসতে তো একদিন সময় লাগেই। এজন্যই হয়তো তদন্ত কর্মকর্তা ২৮ জানুয়ারি উল্লেখ করেছেন।”
সরকারি চাকরি আইন ক্রমাঙ্ক ২০১৮ এর ৩৯(২) ধারা এবং বিএসআর পার্ট-১ এর বিধি ৭৩ মোতাবেক চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে গ্রেপ্তারের তারিখ অর্থাৎ ২৬.০১.২০২৫ খ্রি. অপরাহ্ন হতে ভূতাপেক্ষভাবে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অফিস নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি জামিনে মুত্তিলাভ করে কর্মস্থলে হাজির হলে পুলিশ লাইন্স খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত থেকে নিয়মিত রোলকল হাজিরা দিবেন।
এ মামলার আসামি পাঁচ জনের মধ্যে কেবল রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারই গ্রেপ্তার আছেন। �