গার্লস স্কুলে তিন বছর ধরে নারী শিক্ষক নেই: ৬০০ ছাত্রীর অপেক্ষায় রয়েছে বিশেষ সমস্যা
ন র শ ক ষকশ ন য – চায়ের স্বর্গরাজ্য ও পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলের শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় তিন বছর ধরে কোনো নারী শিক্ষক নেই। এখানে বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য ও মানসিক সমস্যার কারণে ছাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য বোধ হচ্ছে না। স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহশিক্ষা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
গত সপ্তাহে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৩৮ জন শিক্ষক বদলি করা হলেও শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। বর্তমানে অনুমোদিত ১৯টি শিক্ষক পদের মধ্যে ছয়টি শূন্য রয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থী শারদীয়া মল্লিক বলেন, “মাসিক কিংবা শারীরিক সমস্যা হলে ছোট শ্রেণির মেয়েদের বিপাকে পড়তে হয়। নারী শিক্ষক থাকলে তারা সমস্যার সহজে কথা বলতে পারত।”
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. কামাল উদ্দিন জানান, শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাধিকবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করেছে। গত ২০ মে সেই আবেদন প্রস্তুত করেন উপাধ্যক্ষ মো. জহির আলী। তিনি জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী দুই থেকে তিনজন নারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছেন। তবুও নতুন শিক্ষক পদায়ন হয়নি।
বর্তমানে ছাত্রীদের প্রায় ৬০০ জন অধ্যয়ন করছে। তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে পুরুষ শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করা শিক্ষার্থীদের প্রতিকূল মনে হয়। সরকারি বিদ্যালয়টির নাম নিশ্চিত করে নারী শিক্ষকের উপস্থিতি প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।
ছাত্রীদের বক্তব্য
“মাসিক বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা হলে ছোট শ্রেণির মেয়েদের বিপাকে পড়তে হয়। নারী শিক্ষক থাকলে তারা সমস্যার কথা জানাতে পারত।” – শারদীয়া মল্লিক
অন্য শিক্ষার্থী বৈশাখী পাল বলেন, “বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে পাঠদান করলেও কিছু বিষয় নারী শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করা স্বাভাবিক।”
অভিভাবকদের মতামত
অভিভাবক আব্দুর রহিম জানান, “আমার মেয়ে কোনো সমস্যা হলে বাসায় এসে মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে। নারী শিক্ষক থাকলে তারা প্রয়োজন