ট্রাম্প ইরানের হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মার্কিন সামরিক ক্রমবর্ধমান অভিযান ঘোষণা করেন
ইর ন র হ মল য় ম – ইরানের হামলায় নিহত মার্কিন সেনার প্রতি বিষণ্ণ ভাবে ব্যক্ত করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা করেন যে এ হামলা মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সংঘটিত হয়েছে। ইরানের সামরিক ক্ষমতার প্রতি দৃঢ় প্রতিশোক প্রকাশ করে ট্রাম্প জানান যে এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র করে তুলেছে। এতে প্রকৃত সামরিক সক্ষমতার অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ইরানি ড্রোনের ধ্বংসে আরও ক্ষতির সূত্রপ্রাপ্তি
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেন যে উত্তর ইরাকে একটি ইরানি ড্রোনের অবিস্ফোরিত অংশ ধ্বংস করার সময় বিস্ফোরণে এক মার্কিন সেনা নিহত হন। এর পর জর্ডানে ইরানের হামলায় আরও দুই মার্কিন সেনা প্রাণ হারান। ক্ষতিগ্রস্ত সেনার সংখ্যা আজ পর্যন্ত ১৭ জন হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য অনুযায়ী, ইরানের হামলার ফলে মার্কিন বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যার মধ্যে আরও কিছু মার্কিন সামরিক ক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে। এ ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিযোগিতা প্রস্তুত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, “ইরানের হামলা আমাদের মার্কিন সামরিক ক্ষমতার প্রতি গুরুতর ক্ষতি সৃষ্টি করেছে। আমাদের সংঘাত সম্পর্কে ইরানি বাহিনী আরও প্রবল হয়ে উঠেছে। এ হামলার ফলে তারা পরমাণু অস্ত্র ধারণ করতে না পারে এমন লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করছিলেন।”
মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রকৃত বিষয়াবলী
ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের কথা উল্লেখ করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে টানা নবম রাতে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন যে এ অভিযান ইরানের ক্ষমতার প্রতি নির্দেশনা প্রদান করার জন্য চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে চলমান সংঘাত আরও তীব্র রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের হামলার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও সচেতন হয়েছে যার ফলে দ্বিতীয় ধরনের অভিযান প্রস্তুত করা হয়েছে।
ইরানের হামলায় নিহত মার্কিন সেনাদের প্রতি গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “এ নিহতদের সংখ্যা আমাদের সামরিক ক্ষমতার প্রতি একটি সাধারণ হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আবেদন করেছে।” ট্রাম্পের বক্তব্যে পরিস্পষ্ট বোধ হয় যে ইরানের হামলার প্রতি এ অভিযান আরও গুরুতর হবে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, ইরানের সামরিক ক্ষমতার প্রতি আরও সংকট দেখা দিয়েছে। ইরান সামরিকভাবে অসামান্য ক্ষত