ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা: সপ্তাহের শেষেই চুক্তি
ইর ন র সঙ গ য ক – ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা অর্জন করা হয়েছে এবং সেটি সামরিক অভিযান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতিকূল সময়ে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সমঝোতাকে শান্তি চুক্তি হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে এবং ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে পারে এটি অনুমান করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তি অর্জনের কথা ঘোষণা করেছিলেন এবং তিনি জানান যে সমঝোতার পরিস্থিতি আনুষ্ঠানিক হবার সময় হারমুজ প্রণালি খুলে যাবে। ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা অনুসারে ইউরোপের স্থানীয় সময় অনুযায়ী এ সপ্তাহের শেষেই কার্যকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানীয় অধিকার এবং ইরানের অর্থনৈতিক প্রয়োজন কাটাকাটি করে এই চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে।
মূল সমঝোতার প্রতিক্রিয়া এবং প্রক্রিয়া
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ইরান কখনও পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না— এ নিশ্চয়তা এবং ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতার প্রক্রিয়া সামরিক প্রস্তুতি থেকে বেরিয়ে আসছে। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে যে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করেন। সমঝোতার চূড়ান্ত পয়েন্তগুলো নিয়ে আলোচনা করতেই হামলার প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
“আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইরান কখনও পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না— এমন নিশ্চয়তা। ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতার কারণে এই পরিস্থিতি ঘটেছে এবং এটি সামরিক অবস্থা থেকে আবার শান্তির দিকে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”
গত মার্চ মাস থেকে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে এবং তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে সেই চুক্তি আনুষ্ঠানিক হবার পর আর সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে না। ইরানে সামরিক অভিযান “অপারেশন এপিক ফিউরি” শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং সেটি টানা ৪০ দিন সংঘাতের পর ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মুখীন হওয়া কারণে ৮ মার্চ তিনি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। এখনও সেই বিরতি কাগজে-কলমে চলছে এবং ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে এই চুক্তির পরিণতি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া এবং সমালোচনা
ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতার বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া উপস্থিত হয়েছে। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দৃঢ় হবে এবং ইরান সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মুখীন হওয়া অর্থনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে নতুন বিশ্বাস সৃষ্টি করতে পারে। সম্প