দেশীয় মাছ রক্ষায় মহেশপুরে নিষিদ্ধ জাল জব্দ
Banglabeacon.com – দ শ য় ম ছ রক ষ – দেশীয় মাছ রক্ষার জন্য ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নদী, নালা এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে নিষিদ্ধ প্রকারের চায়না দুয়ারি জালের অবাধ ব্যবহার একটি চিংকি হামলা হিসেবে স্থানীয় জলজ প্রাণীদের প্রাকৃতিক প্রজনন প্রক্রিয়া বিপনন করছে। এই ছোট ছিদ্রযুক্ত জালগুলি ছোট মাছের রেণু এবং ডিম বিশিষ্ট প্রাণীদের ধরে ফেলে এবং কুচিয়া, ব্যাঙ এবং কাঁকড়াসহ প্রতিটি জীবকে নিষ্ক্রিয় করছে। এ কারণে মিঠাপানির মাছের সামান্য উৎপাদন দীর্ঘদিনের মতো কমে আসছে এবং জীববৈচিত্র্যের অবনতি ঘটছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু করে নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে মহেশপুর উপজেলার ইসালডাঙ্গা এলাকায় উপজেলা প্রশাসন এবং মৎস্য বিভাগ একত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু করে। সেই অভিযানে অসংখ্য নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরিষ্কার করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে বর্তমানে অনেকে অভিযোগ করছে যে স্থানীয় কিছু চক্র প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেও এই জাল ব্যবহার করছে।
পরিবেশ বিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় মাছের সংখ্যা স্থানীয় জলাশয়ে প্রতি বছর শতকরা ১৫ ভাগ কমে আসছে যা নিষিদ্ধ জালের ব্যবহারের কারণে। কিছু অধ্যয়নে বলা হচ্ছে যে এই জালগুলি বৃহত্তর জীববৈচিত্র্যের জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে কাজ করছে। দেশীয় মাছ রক্ষা করার জন্য জালগুলির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
অবহেলার ফলে জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস
মহেশপুর উপজেলার বিশেষ করে পান্তাপাড়া ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে দেশীয় মাছ রক্ষার অভিযান অনুপলব্ধ হিসেবে অবহেলার ফলে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী ও উন্মুক্ত জলাশয়ের বিপনন প্রক্রিয়া ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে এবং এ কারণে দেশীয় মাছ রক্ষার গুরুতর প্রয়োজন হয়েছে। এই জালগুলি প্রাকৃতিক পরিবেশে ক্ষতি করছে এবং বিশেষ করে অপরিচিত প্রজাতিগুলি আর পুনরুৎপন্ন হচ্ছে না।
প্রাকৃতিক জলাশয়ে দেশীয় মাছ রক্ষা করার জন্য নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এই জালগুলি পরিবেশে বড় ক্ষতি করছে এবং এই বিষয়ে তথ্য পাওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এই কঠ�
