বর্তমান বিশ্বকাপে এশিয়া এবং আফ্রিকার দুটি দল শক্তি এবং সামর্থ্যের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে
আশ র র দ র দ ন – আফ্রিকার প্রতিনিধিরা ম্যাচে আস্ট্রেলিয়ার প্রতি প্রচোজনা দেখায়নি কিন্তু বিপক্ষের বাজিমাত করে দেয়ার চেষ্টা করে। ম্যাচ শুরুতে গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল সকারুজদের দিক থেকে, যার কারণে মিশর বিপদে পড়ে। কিন্তু প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেলেও মিশরের রক্ষণ ও গোলরক্ষক কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন।
ইমাম আশুরের প্রথম গোল ম্যাচে বিপর্যয় তৈরি করে
খেলার মাত্র ১৩ মিনিটে ইমাম আশুরের দুর্দান্ত হেডে গোল তুলে নেয়ার পর মিশর প্রথমার্ধে স্কোর কার্ডে প্রথম পয়েন্ট করে নেয়। তিনি ব্যাপারে ফ্রি-কিক থেকে আসা বলে অপরাজয় করেন যদিও প্রথম আক্রমণটি ব্যর্থ হয়। পরে করিম হাফেজের ক্রস থেকে তৈরি হওয়া বিপদ পরিষ্কার করে দেয় মিশরের রক্ষণ দল।
অস্ট্রেলিয়ার প্রচেষ্টাগুলি মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শুবি এবং রামি রাবিয়া দ্বারা পরিচালিত হয়। ১১ম মিনিটে শুবি বল গোললাইনের কাছাকাছি গড়িয়ে দেন যে কিছুটা ওপরে পরিষ্কার করে ফেলেন। অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণ কিছুটা অস্থির ছিল।
খেলার পঞ্চম মিনিটে ভলপাতো সকারুজরাই কাছ থেকে বল পেয়ে ঘুরে দাঁড়ান। তিনি প্রায় ২৫ গজ দূরে থেকে শট নেন যে মোস্তফা শুবিকে পরাস্ত করে। কিন্তু ক্রসবারের ওপর বল আবারও লেগে আসে। পরে টনি পপোভিচের দল আবারও বিপজ্জনক শট নেয়।
মিশর আক্রমণ প্রতি সঠিক ট্যাকলে সুযোগ কাটিয়ে ফেলে
খেলার পঞ্চম মিনিটে ভলপাতো সকারুজরাই কাছ থেকে বল পেয়ে ঘুরে দাঁড়ান। তিনি প্রায় ২৫ গজ দূরে থেকে শট নেন যে মোস্তফা শুবিকে পরাস্ত করে। কিন্তু ক্রসবারের ওপর বল আবারও লেগে আসে। পরে টনি পপোভিচের দল আবারও বিপজ্জনক শট নেয়।
খেলার ১৭ম মিনিটে ওমর মারমোশের শট গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে ঠেকে যায় হ্যারি সাউত্তার কাছে। এরপর হামদি ফাথির দারুণ থ্রু পাসে মোস্তফা জিকো গোলের সুযোগ পেয়ে বল বাইরে মারেন। অফসাইডের পতাকাও ওঠে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আফ্রিকার রক্ষণ বিপক্ষের প্রচেষ্টাগুলি কাটিয়ে ফেলে।
ম্যাচে প্রতিটি বিপদ মিশরের রক্ষণ দল দ্বারা সম্পূর্ণ করে দেয়া হয়। জর্ডান বস এবং ইয়াসের ইব্রাহিম ধারাবাহিকভাবে ক্লিয়ারেন্স এবং এয়ারিয়াল ডুয়েলে পরাজিত করে। বিশেষ করে জর্ডান বসের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দ্বারা অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণ প্রতি আরও দুশ্চিন্তা বাড়ে।