দর্শকের ভালোবাসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য: সূচরিতা
দর শক র ভ ল ব স – বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা ও মায়ের চরিত্রে সমান সার্থকতা পেয়েছেন সূচরিতা, যিনি একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দর্শকের ভালোবাসাকে বিবেচনা করেন। তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের দিকে তাকিয়ে তিনি আবারও উল্লেখ করেন যে কোটি কোটি দর্শকের প্রেম তার জীবনের সেরা প্রাপ্তি।
সূচরিতা বর্তমানে নতুন চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন না, কিন্তু ভালো গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের প্রস্তাব পেলে তিনি আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে আগ্রহী। তার বাসা রাজধানীর বারিধারায় অবস্থিত, কিন্তু অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা অটুট রয়েছে।
তার শিশুশিল্পী জীবন চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়েছিল হেলেন নামে। পরিচালক মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয় জীবনের প্রথম পার্শ্ব স্থাপিত হয়। এরপর তিনি ‘নিমাই সন্ন্যাসী’, ‘অবাঞ্ছিত’, ‘রং বেরং’, ‘টাকা আনা পাই’, ‘কত যে মিনতি’, ‘রাজ মুকুট’ এবং ‘বাবলু’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন।
সূচরিতার নায়িকা চরিত্রে উত্থান ঘটে পরিচালক আজিজুর রহমানের ‘স্বীকৃতি’, দিলীপ বিশ্বাসের ‘সমাধি’ এবং অশোক ঘোষের ‘মাস্তান’ সিনেমার মাধ্যমে। ১৯৭৭ সালে প্রয়াত আব্দুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত ‘জাদুর বাঁশী’ সিনেমাটিই তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। তার পর থেকে তিনি প্রায় তিনশত চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সফল অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত হন।
তার অভিনীত সিনেমাগুলোর গানগুলোর মধ্যে ‘জীবনে একজন প্রিয়জন সবারই প্রয়োজন’, ‘আমার গরুর গাড়িতে’, ‘আকাশ বীনা চাঁদ’, ‘তুমি তো এখন আমারই কথা ভাবছো’, ‘আমার প্রেমের তরী বইয়া চলে’ এবং ‘ও বন্ধুরে প্রাণও বন্ধুরে’ গানগুলো তার বিশেষ প্রিয়।
“ছোটবেলা থেকে সিনেমায় অভিনয় করছি। নায়িকা হিসেবে যেমন দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছি, তেমনি মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছি। দর্শকের এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
“আমি বিশ্বাস করি, একজন শিল্পী যতদিন সুস্থ ও সচেতন থাকেন, ততদিনই কাজ করে যেতে পারেন। শিল্পীদের আসলে কোনো অবসর নেই। তাই আমি যতদিন অভিনয় করব, ততদিন যেন আমাকে আজীবন স