৬ মাসে সোনার দামে ওঠানামা ৮৪ বার, কেন?
৬ ম স স ন র দ – বর্তমানে সোনার বাজার অস্থির হালকা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ছয় মাসে দাম পরিবর্তন হয়েছে ৮৪ বার। এতে দাম বেড়েছে ৪১ বার এবং কমেছে ৪২ বার। মাত্র একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৪০। বাজারের এই চাঞ্চল্য কী কারণে ঘটছে সে বিষয়ে স্পষ্ট বিশ্লেষণ আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
জানুয়ারি মাসে সোনার দামে রেকর্ড সৃষ্টি হয়। সেই মাসের প্রথম দিন থেকে নিয়মিত হারে দাম বেড়েছে। দুদিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে বিশ্ববাজারে বিশ্লেষকদের মতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনাকে দেখছে মানুষ। কিন্তু এই অস্থিরতা বাংলাদেশ জুড়ে প্রভাব ফেলছে বলে দাবি রয়েছে।
গত সপ্তাহে জানুয়ারির শুরুতে দাম কমেছিল বিশ্লেষকদের মতে। তবে মাঝামাঝি থেকে শুরু হয় টানা উত্থান। এই মাসে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ছয় দফা। দেশে প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা হতে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তারপর সামান্য ছন্দপতন ঘটে। মাসের শেষ দিনে দাম নিয়ন্ত্রণে আসে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সভাপতি এনামুল হক খান জানান, স্বর্ণের বাজারের অস্থিরতার জন্য বাজুস বা বাংলাদেশের কেউ দায়ী নয়। মূলত বিদেশে স্টক করা বা কাগজে কলমে লেনদেনের কারণে এই ওঠা-নামা ঘটছে।
বাজুসের মতে, দাম সমন্বয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বর্ণ পাচার রোধ করা এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষতি না হওয়া। দেশে দাম কম থাকলে সোনার পাচার হয়ে যাবে। সেজন্য বিশ্ববাজারের সঙ্গতি রেখে দাম সমন্বয় করা হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে সোনার দাম চাঞ্চল্যকর ওঠা-নামা ঘটছে।
এতে দেখা যায় বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার প্রতিচ্ছবি। করোনা পরবর্তী বিশ্বে মূল্যস্ফীতি, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পেপার গোল্ডের প্রাধান্য সবগুলো কারণে সোনার বাজার অস্থি