Bangladesh

স্বপ্ন যখন ইমিগ্রেশনে বন্দি, এক ‘অভিনব প্রতারণা’ | সংবাদ

Techtaranga.com_1200x630_17837928331207_social

স্বপ্ন যখন ইমিগ্রেশনে বন্দি, এক ‘অভিনব প্রতারণা’

Banglabeacon.com – স বপ ন যখন ইম গ র – যখন মোস্তাফিজুর রহমান অনিক এবং অক্ষয় চন্দ্র দাসরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় গেট দিয়ে প্রবেশ করেন, তখন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইউরোপের ঝলমলে আকাশ ছিল। তাদের বুকে ছিল একটি সুদৃঢ় সিন্ডিকেটের সম্মুখীন হয়েছেন। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া এবং নবীনগরের যাত্রীদের কাছে ইতালি পৌঁছানো মানেই পরিবারের ভাগ্যবদল। কিন্তু সেই স্বপ্নের শেষ পরিণতি বিমানবন্দরের লাল জোনের অন্ধকার বাথরুমে, কিংবা রোম বিমানবন্দর থেকে কান্নায় ভেঙে পড়ে শূন্য হাতে ফিরে আসায় হবে; তা হয়তো তারা কল্পনাও করেননি।

শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে নেপাল যাওয়ার নামে ইতালির জাল ভিসা পিঠে সেঁটে মানব পাচারের যে ভয়ঙ্কর ও অভিনব এক নাটকের মঞ্চায়ন হয়েছে, তা সস্প্রতি উদঘাটন করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির নেপথ্যে রয়েছে বিমানবন্দরের ভেতরের এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট, যাদের খপ্পরে পড়ে আজ নিঃস্ব সাধারণ মানুষ, আর বহির্বিশ্বে ক্ষুণ্য হচ্ছে দেশের ভাবমূর্তি।

নেপাল ভ্রমণের আড়ালে রোম যাত্রা: যেভাবে চলতো সেই কৌশল তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্যানুযায়ী মানব পাচারকারী চক্রটি অত্যন্ত চতুর এবং অভিনব একটি কৌশল বেছে নিয়েছিল। গত ২৬ মে সকাল ৮টার দিকে অনিক ও অক্ষয়সহ তিনজন যাত্রী বিমানবন্দরের বোর্ডিং এলাকার বিশেষ গেট (র – ডি) দিয়ে প্রবেশ করেন। তাদের মূল গন্তব্য দেখানো হয়েছিল নেপাল। তারা বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কাঠমান্ডুগামী ফ্লাইট ‘বিজি – ৩৭১’ এর জন্য বোর্ডিং পাসও সংগ্রহ করেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে তারা ইমিগ্রেশন এরিয়ায় প্রবেশ না করে স্টাফ এক্সিট গেট নম্বর ৫ দিয়ে বের হয়ে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিং এলাকায় চলে যান। সেখানে আগে থেকেই ওৎ পেতে ছিল দালাল চক্রের সদস্যরা।

কার পার্কিংয়ের অন্ধকার কোণে পার্ক করা একটি প্রাইভেট কারের ভেতর বসে মুহূর্তের মধ্যে বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। দালালরা তাদের হাতে তুলে দেয় ইতালির জাল স্টিকার ভিসা, রোমগামী বাংলাদেশ বিমানের টিকিট এবং বোর্ডিং পাস। এরপর সতর্কতার সাথে নেপাল যাওয়ার �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *