জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা
ই বর জ য ব যবস থ – সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা জানান যে পরিবেশ রক্ষার জন্য শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন করা যথেষ্ট নয়। ই-বর্জ্যের মতো দ্রুৎপরিবর্তনশীল পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের মতে, দেশে ই-বর্জ্যের পরিমাণ প্রতিবছর বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছে কিন্তু নীতিনির্ধারণ ও জনসচেতনতার পরিমাণ এখনো পর্যাপ্ত নয়।
সেমিনারে আহ্বান জানানো হয়েছে
সেমিনারটি শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ভয়েস, নাগরিক উদ্যোগ ও উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টসহ মোট ২৯টি নাগরিক সংগঠন যৌথভাবে আয়োজন করে।
পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়। এ ক্ষেত্রে নাগরিকদেরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলে মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু তাঁর মন্তব্যে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ই-বর্জ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সমস্যা হলেও অনেকটা অবহেলিত হয়। এ খাতে নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগ, সম্পদের পুনর্ব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমি গড়ে তোলার দিকে সরকার কাজ করছে।
স্থায়ী ঘাটতি ও আহ্বান
ভয়েসের প্রতিনিধি জানান যে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হয়। কিন্তু বর্তমান আইনের প্রয়োগে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। তিনি আহ্বান জানান যে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা, দেশব্যাপী সংগ্রহব্যবস্থা গড়ে তোলা, অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের সুরক্ষা এবং ক্ষতিকর উপাদান পর্যবেক্ষণ বাধ্যতামূলক করার দরকার রয়েছে।
ই-বর্জ্য এক ধরনের ‘নীরব দূষণ’ হিসেবে বরণ করা হয়েছে। যার প্রভাব অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না কিন্তু মানুষ ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক। এ ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব পুনর্ব্যবহার, পরিবেশ শিক্ষা এবং সরকার, উৎপাদক প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন বলে ড. মো. সাইমুম পারভেজ উল্লেখ করেন।
অংশগ্রহণকারীরা
সেমিনারে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন অধিদপ্তর, বিশিষ্ট নাগ