সেনেগালের সাথে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ফ্রান্সের জয় | সংবাদ
স ন গ ল র স থ – নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত লড়াইয়ে ফ্রান্স সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে মাঠ ছেড়েছে। প্রথমার্ধে সেনেগাল বেশ শক্তিশালী খেললেও ফরাসি শিবির এক পরিবর্তন আনে দ্বিতীয়ার্ধে। ম্যাচের শেষ ১৪ মিনিটে দেখা যায় তিন তিনটি গোল হাসিল হয়।
প্রথমার্ধের বিস্তারিত পরিসংখ্যান
ফ্রান্স ম্যাচের শুরু থেকে সেনেগালের কোনো আক্রমণ করতে পারেনি। প্রথম ২০ মিনিটে একটি নিরাপদ অবস্থা থাকার পর সেনেগাল ডিওফের বাড়ানো থ্রু পাস ধরে জ্যাকসনের কঠিন কোণ থেকে বাঁ পায়ে শট করেছিল। বল পোস্টে লেগে গোলরক্ষক মেইনানের গায়ে প্রতিহত হয়ে কর্নার হয়।
৪০ মিনিটে সাদিও মানের নেওয়া শট সহজেই লুফে নেন মেইনান। প্রথমার্ধের সমাপনী সময়ে বল বক্সের মাঝে পেয়েও সেটি উপরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন মান। ফলে গোল ছাড়াই শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধের উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত
বিরতির পর ফ্রান্স এক নতুন মুখ দেখায়। ৪৮ মিনিটে দায়ত উপামেকানো জোরালো শট নেন। বল পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৫৪ মিনিটে মাইকেল ওলিসের চিপ শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন এডোয়ার্ড মেন্ডি।
এর চার মিনিট পর এমবাপে গোলরক্ষককে একা পেয়েও মেন্ডির দুর্দান্ত ট্যাকলে গোল করতে ব্যর্থ হন। ৬৪ মিনিটে ওলিসের পাস থেকে অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি এমবাপে। কিন্তু প্রথম স্পর্শেই বল জালে জড়িয়ে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এমবাপে।
দুই মিনিট পরে সেনেগাল সমতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছিল। নিকোলাস জ্যাকসন বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শট করেছিলেন। উল্লাসে মেতে ওঠে সেনেগাল শিবির। কিন্তু সহকারী রেফারির অফসাইডের পতাকায় এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
৮২ মিনিটে আদ্রিয়ান রাবিওটের পাস থেকে ব্র্যাডলি বার্কোলা গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান। ইনজুরি টাইমের পঞ্চম মিনিটে ইব্রাহিম এমবায়ে শট করে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু পরের মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে আচমকা শটে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন এমবাপে।
ফলে ৩-১ গোলের দুর্দান্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।