লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানো কার্যক্রম মানবসেবায় অনন্য
স ব ধ বঞ চ তদ র – লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানো কার্যক্রম মানবসেবায় অনন্য বলে মন্তব্য করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান যে সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করার জন্য সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শনিবার (১৩ জুন) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত বাংলাদেশের ৩৯তম বার্ষিক কনভেনশনে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাল্টিপল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ এর কাউন্সিল চেয়ারপারসন লায়ন মো. আশরাফ হোসেন খান হীরা।
স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের বিস্তার
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের আন্তর্জাতিক পরিচালক লায়ন নাজমুল হক। তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করা সংগঠনের মূল পরিচালনা। এ কার্যক্রমে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য স্বাচ্ছন্দ ও পরিষেবা প্রদানের প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট লায়ন্স নেতাদের অংশগ্রহণ হয়েছে। সংগঠনটি বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে প্রায় ১৪ লক্ষ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান বিষয়গুলি
কনভেনশনে বিশিষ্ট অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানো কার্যক্রমের বিস্তার এবং সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে স্বেচ্ছাসেবার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী মানবকল্যাণে অবদান রেখে চলেছে। তাদের প্রধান মূলমন্ত্র “আমরা সেবা করি” অনুসারে সামাজিক উন্নয়নের সাথে সংযুক্ত হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবার বিস্তার হয়েছে। তিনি সংগঠনটির বর্তমান কার্যক্রমগুলি তুলে ধরেন, যেমন দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণ, ক্ষুধা নিরসন, ডায়াবেটিস সচেতনতা, শিশু-ক্যান্সার সহায়তা এবং যুব উন্নয়ন। কনভেনশনে এই কার্যক্রমগুলির গুরুত্ব আলোচিত হয়।
অনুষ্ঠানে সুবিধাবঞ্চিতদের কল্যাণের লক্ষ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন বিভিন্ন বিশিষ্ট অতিথি। লায়ন্স আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবার অবদান স্বীকৃত করেন। বক্তারা মানবকল্যাণে সংগঠনের স্বাচ্ছন্দ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লায়ন্স সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল। কনভেনশনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন স্পিকার এবং স্যুভেনির মোড়ক উন্মোচন করেন। এই অনুষ্ঠানে সুবিধাবঞ্চিতদের কল্যাণে সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে লায়ন্স সদস্যদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।