শিবির নেতার ধর্ষণের ঘটনায় ‘অপহরণ নাটক’, পর্দা নামালো পুলিশ
শ ব র ন ত র ধর – কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় এক নারীর দাবি অনুযায়ী তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে এবং ওষুধের মাধ্যমে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ঘটনার জেরে নারীটি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তার আত্মগোপন খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সুপারের বিবরণ
জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন গত ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে। তিনি দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে অনুপস্থিত হন। পরদিন ১২ জুন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপহরণের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তাকে মাঠে নামে। কেউ তাকে অপহরণ কিংবা মারধর করেনি বলে ডাক্তারি পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জিসান মিয়া দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গোয়ালী গ্রামের মো. সফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। গত ২০ মে তিনি দাউদকান্দি এলাকার এক তরুণীকে ধর্ষণের শিকার হন। পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গর্ভপাতের প্রয়োজন হলে তিনি চাপ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
তরুণীটি গর্ভপাত করাতে রাজি হন প্রাণনাশের আশঙ্কায়। জিসান ওষুধ সংগ্রহ করে তাকে খাওয়ান। গর্ভপাত হলে তরুণী তাকে বিয়েতে সম্মতি জানায়। তবে বিয়ে এড়ানোর জন্য নিজে আত্মগোপনে চলে যান। সেই নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজানো হয় স্বজনদের মাধ্যমে।
পর্দা নামানোর পর ভুক্তভোগী তরুণী ছাত্রশিবিরের নেতা জিসানকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন- সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) ও সজিব হাসান (২১)। তাদের সকলের বাড়ি দাউদকান্দিতে অবস্থিত। পুলিশ সুপার আরও বলেন, কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে সকল প্রকার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।
প্রচার সম্পাদকের কথা
প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় আমরা নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হইনি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ।
সংগঠনটি তার বহিষ্কার ঘোষণা করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সংগঠনের শ�