শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
শ ক ষ র থ দ র – সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকে আপত্তি করেছেন। তিনি জানান, কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলেনি। যদি কেউ আহত হয়ে থাকে, তাঁর দুঃখ প্রকাশ করছেন মন্ত্রী।
অধিবেশনে ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আজ সংসদ ভবনে ছাত্ররা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আসেন। তিনি জানান, গতকাল ফিজিক্স, হিসাববিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল। এ কারণে অনেকে ভিজে যায় এবং পরীক্ষা সঠিকভাবে দিতে পারেনি। পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে।
‘আমি দেখেছি যে চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আরেকটি প্রশ্নপত্র সেটে যখন আমরা নেবো, ফিজিক্স সেকেন্ড পেপার, যুক্তিবিদ্যা ও হিসাববিজ্ঞান সে সময়ে আমরা পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব।’
তিনি আরও জানান, সারা দেশে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে উপস্থিত হন। বিকেলের দিকে সংসদ অধিবেশনের এক ফাঁকে বৈঠকটি শুরু হয়।
‘মিটিংয়ে একজন বলছিলেন, একটু ভিজলেই আমার মেয়ের জ্বর চলে আসে। বলছিলাম যে, এগুলো তো ফার্মের মুরগি। একটু ভিজলেই জ্বর চলে আসে। তখন আমি মিটিংয়েই বলছিলাম যে, একদিন বৃষ্টিতে ভিজবে জ্বর আসবে, তখন পরের তিনদিন তো আর পরীক্ষা দিতে পারবে না এরা।’
ছাত্রী অভিযোগ করেন, পরীক্ষা রুটিন নিয়ে তাঁকে আপত্তি করেছে। তিনি বলেন, উচ্চতর দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার আগে একদিন ছুটি। এত চ্যাপ্টার… মাঝে একদিন মাত্র ছুটি। কীভাবে সম্ভব? তিনি আরও বলেন, আবহাওয়াবিদদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তারা জানান যে, আগামীকাল (সোমবার) বৃষ্টি হবে না। আজ (রোববার) রাতেই শেষ হবে। তখন পরীক্ষা চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
মন্ত্রী জবাবে বলেন, সবাই তাঁর স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে রুটিন দিয়েছেন। কিন্তু কেউ তো তাঁকে কোনো রেসপন্স করেনি।
আরো পড়ুন
প্রধানম