র ম ট য ন স বৃদ্ধি সত্ত্বেও ডলারের দাম কেন বাড়ছে?
Banglabeacon.com – র ম ট য ন স ব – চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে গত মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৬ কোটি ডলার, যা আগের মাস এবং আগের অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় বেশি। এর আগের দুই অর্থবছরেও রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিলো। তবে জ্বালানি, সারসহ কিছু পণ্য আমদানিতে খরচ বেড়ে যাওয়ায় ডলারের দর বাড়াচ্ছে। আন্তঃব্যাংকেই প্রতি ডলার এখন ১২৩টাকা ৮২ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে।
র ম ট য ন স বৃদ্ধির পরও ডলারের চাপ কেন কমছে না?
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠান। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছিলো ৬৪২ কোটি ডলার বা ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। রেমিট্যান্স এভাবে বাড়লেও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্য উৎসে ভালো অবস্থান নেই।
সেই কারণে সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দর কিছুটা বেড়ে রোববার (২ আগস্ট) আন্তঃ ব্যাংকে ১২৩টাকা ৮২ পয়সায় উঠেছে। গত মাসের একই দিন যা ছিলো ১২২টাকা ৮৫ পয়সা। এভাবে ডলারের দর বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ আরও বৃদ্ধির শঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী– ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৭৭৩ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৩৭৬ কোটি ডলার বা ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি।
অথচ একই সময়ে রপ্তানি আয় কমেছে ৮৩ কোটি ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। যে কারণে ডলারের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। আন্তঃব্যাংকের পাশাপাশি আমদানি, রপ্তানি ও বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স কেনার এখন বেশি খরচ হচ্ছে। অবশ্য ডলারের ওপর বাড়তি চাপের সুযোগ নিয়ে কোনো ব্যাংক যেন কেবল বাড়তি লাভের জন্য ডলারের দর বাড়াতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
গতকালও কয়েকটি ব্যাংকের সাথে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংশ্লিষ্টরা জানান, ডলারের ওপর চাপ তৈরির প্রধান কারণ জ্বালানি ও সার আমদানিতে খরচ অনেক বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে সব মিলিয়ে আমদানি খরচ বেড়েছে মাত্র ৩৭৬ কোটি ডলার। যেখানে শুধু পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৯০৩ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যেখানে ব্যয় হয়েছিলো ৪৮৮ কোটি ডলার।
শুধু পেট্রোলিয়াম পণ্যের আমদানি বেড়েছে ৪১৫ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। শতাংশ বিবেচনায় যা ৮৫ দশমিক ২২ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সার আমদানিতে ৪৩ দশমিক ৩০ শতাংশ বা ১০৯ কোটি ডলার ব্যয় বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী পরিশোধের ব্যাপক চাপের মধ্যেও জুলাই শেষে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ রয়েছে ৩১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় গ্রস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন এবং বিপিএম৬ অনুযায়ী ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিলো।
র ম ট য ন স ও ডলারের দাম: প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
প্রশ্ন: রেমিট্যান্স বাড়লেও ডলারের দাম কেন বাড়ছে? উত্তর: জ্বালানি ও সার আমদানিতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ডলারের চাপ তৈরি হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানিতে ব্যয় আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮৫ দশমিক ২২ শতাংশ বেড়েছে।
প্রশ্ন: বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা কেমন? উত্তর: জুলাই শেষে গ্রস রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ৩১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।
প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে কী করছে? উত্তর: ব্যাংকগুলো যেন বাড়তি লাভের জন্য ডলারের দর না বাড়ায় সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is র ম ট য ন স ব?
র ম ট য ন স ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does র ম ট য ন স ব matter?
র ম ট য ন স ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.