যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব ভয়াবহ হবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি
য ক তর ষ ট র র – ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যেকোনো হামলার প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হবে বলে তীব্র হুঁশিয়ারি জানান। এই প্রতিক্রিয়া ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম কর্তৃক ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে সংঘটিত হামলার পর। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি মার্কিন প্রশাসনকে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো হামলা করলে ইরান তার প্রতি সামরিক প্রতিশোধ গ্রহণ করবে।
হামলার পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে
আরাঘচি বলেন, “যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সামরিক শক্তি পরীক্ষা করার চেষ্টা করেছে। কোনো হামলা বা হুমকি আমাদের অঞ্চল ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত নয়।” তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা নিরাপদ থাকার জন্য ইরানের ওপর পাল্টা আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিকেল ৫টায় একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে, যার জের ধরে এই অভিযান শুরু হয়।
মার্কিন সেন্টকম এই হামলা ইরানের ওপর অযৌক্তিক আগ্রাসনের বিপরীতে একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, হামলা তাদের সামরিক বাহিনী ও স্বার্থ রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয়। তবে ইরানের পক্ষে এটি একটি আক্রমণ বা হুমকি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে
ইরানের অভিযানের প্রথম দফায় হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে অবস্থিত স্থানগুলো লক্ষ্য করা হয়েছে। এই প্রণালি আন্তর্জাতিক পেট্রোলিয়াম পরিবহনের কেন্দ্রীয় অংশ, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরিণতি এই স্থানে বিশেষ গুরুত্ব অর্জন করেছে। ইরানের পক্ষে এটি একটি স্বাধীনতা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আমাদের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করছে, কিন্তু আমাদের প্রতি সামরিক প্রতিরোধ তুলনামূলক শক্তিশালী। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কোনো হামলাকে সহজে অগ্রাধিকার দিবে না।” ইরান এই হামলাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে গ্রহণ করেছে।
“যুক্তরাষ্ট্র কোনো হামলা করলে আমাদের প্রতিক্রিয়া বিপর্যয়কারী হবে।” – ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বিশ্বাস করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তাদের অঞ্চল বিপর্যয়ে পতিত হতে পারে। এই সংকটের পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেশী দেশগুলো সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের ফলে সামরিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই হামলার পর ইরান বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক