ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
হামলার বিস্তারিত বিবরণ
ইর ন য ক তর ষ ট – ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালিয়েছে যা হরমুজ প্রণালিতে সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগ তুলে আসছে। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) মার্কিন সেনারা এ হামলা চালানো শুরু করে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বিবিসি জানায় যে ইরানের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমানুপাতিক জবাব দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের পারস্য উপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চল এবং হরমুজ প্রণালিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এ হামলার পৃষ্ঠপোষকতা করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পর বিরোধ এবং দুই দেশের সম্পর্ক ক্ষুণ্ণ হওয়ার আভাস দেখা দেয়। এ ঘটনা জাতির পরিচয় হামলা হিসেবে চিহ্নিত হয়।
গতকাল সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায় যে হরমুজ প্রণালিতে তাদের সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে ইরানি সেনারা হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত করেছে এবং যা গিয়ে পড়েছে ওমান উপসাগরে। আরও জানা যায় যে ইরানি সেনারা শাহিদ ড্রোন ব্যবহার করে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ওই হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে। এ হামলার পৃষ্ঠপোষকতা করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঘটনাস্থল বিশেষ করে এই ঘটনার প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে আবেদন করা হয়।
হেলিকপ্টারটিতে দুই পাইলট ছিল। তারা সমুদ্রে পড়ে যান। পরবর্তীতে সামুদ্রিক ড্রোন পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। এটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হামলা প্রতি জবাব দেওয়ার প্রথম ঘটনা। ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান যে হেলিকপ্টারের দুই পাইলট সুস্থ আছেন। তিনি বলেন, “হেলিকপ্টারটি ইরান ভূপাতিত করেছে যার জবাব দেওয়া হবে।” এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হামলা চালিয়ে আসা দুই দেশের সংঘর্ষ ঘটনার প্রতি সম্পর্ক বিস্তারিত হয়।
“যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের পরও ইরান জবাব দিতে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলা প্রতি দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনার প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে আবেদন করা হয়।”
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের প্রধান পেট্রোলিয়াম পরিবহন পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ হামলার পরিণতি প্রতি মূল্যবান জাহাজ এবং অপারেশন বিশ্ব অর্থনীতি ও জাতিগত সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সম্ভাব্য সামরিক সংঘর্ষ আবেদন করা হয়। এ ঘটনার পর সামরিক হামলা ক্ষেত্রে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের