Bangladesh

মাদকের টাকা না পেয়ে বাবাকে হত্যা, ছেলের যাবজ্জীবন

ম দক র ট ক ন প - চাঁদপুরের আদালত মাদকের টাকা না পেয়ে পিতা মুছাব্বর গাজীকে (৬০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে হোসেন গাজীকে (৩৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

Desk Bangladesh
Published August 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Techtaranga.com_17866181402835
Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com
Table of Contents
  1. মাদক সংক্রান্ত বিরোধে পিতৃহত্যা, ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

মাদক সংক্রান্ত বিরোধে পিতৃহত্যা, ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Banglabeacon.com – ম দক র ট ক ন প – চাঁদপুরের আদালত মাদকের টাকা না পেয়ে পিতা মুছাব্বর গাজীকে (৬০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে হোসেন গাজীকে (৩৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন। জরিমানা হিসেবে আসামিকে এক লাখ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে। এই মামলায় মাদক সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

দণ্ডপ্রাপ্ত হোসেন গাজী চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর ইচুলী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। মামলার তদন্ত থেকে জানা যায়, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই তার বাবার সাথে ঝগড়া ও মারধর করতেন। তাকে সুস্থ করতে পরিবারের পক্ষ থেকে ঢাকার একটি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাও করানো হয়েছিল, কিন্তু সেখানে কোনো ফল হয়নি। মাদকের লোভেই শেষ পর্যন্ত তিনি পিতৃহত্যার পথে এগিয়ে যান।

২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর সকালে হোসেন গাজী তার বাবাকে ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো দা দিয়ে মাথায় কোপ দেন। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

এই ঘটনার ওই দিনই নিহতের বড় ছেলে আলম গাজী বাদী হয়ে ছোট ভাই হোসেন গাজীকে আসামি করে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ১৭ নভেম্বর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোমিনুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কোহিনুর রশিদ বলেন, আদালত ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর হোসেন গাজীকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন। তিনি আরও বলেন, মাদক সংক্রান্ত এই ঘটনাটি সমাজের জন্য একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি রায় শুনতে গুরুত্ব সহকারে মনোযোগ দেন। আইনজীবীরা জানান, এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামি আপিল করার সুযোগ রাখবেন। মামলার সকল কাগজপত্র ও সাক্ষ্য-সমর্থন বিবেচনা করে আদালত এই রায় দিয়েছেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

প্রশ্ন: হোসেন গাজী কী অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন? উত্তর: তিনি মাদকের টাকা না পেয়ে পিতা মুছাব্বর গাজীকে হত্যার অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন।

প্রশ্ন: দণ্ডের পরিমাণ কত? উত্তর: হোসেন গাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

প্রশ্ন: জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে কী হবে? উত্তর: অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

প্রশ্ন: মামলাটি কখন দায়ের করা হয়? উত্তর: ২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর ঘটনার পরপরই মামলাটি দায়ের করা হয়।

Frequently Asked Questions

What is ম দক র ট ক ন প?

ম দক র ট ক ন প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম দক র ট ক ন প matter?

ম দক র ট ক ন প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment