মহাবিপন্ন হলুদ কাছিমের ডিম ফুটল চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়
মহ ব পন ন হল দ ক – মহাবিপন্ন হলুদ কাছিমের ডিম ফুটেছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়, যা দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ একটি অগ্রগামী কাজ। এই প্রজাতির বাচ্চার জন্ম চিড়িয়াখানার প্রাণী রক্ষণ কর্মসূচির সফলতার নিশানা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহদাত হোসেন তাঁর প্রকাশে জানান, গত ৬ জুন পাঁচটি ডিম ফুটে চারটি বাচ্চা জন্ম নেয়। এটি প্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলো জীবন বিজয়ের সংকেত হিসেবে দেখছে।
বিস্তারিত পরিচর্যা এবং পুনরুজ্জীবন
গত বছর পরিবেশগত উন্নতি এবং আধুনিক পরিচর্যা ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কাছিমের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিড়িয়াখানার বিস্তারিত প্রচেষ্টা ফলেছে কাছিমগুলোর পুনরুজ্জীবন সাধনে। পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্পের সাফল্য বর্তমানে সংরক্ষিত প্রজাতি সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি নতুন সম্ভাবনা খুলেছে।
হলুদ কাছিমের বাসস্থান ছিল বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং সীমান্তবর্তী এলাকায়। কিন্তু শিকারী ও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে তারা বিলুপ্তির ধ্বনি শুনছে। আইইউসিএন লাল তালিকাভুক্ত প্রজাতির জন্য নতুন উৎসর্গ ঘটেছে। বর্তমানে প্রতিটি ডিম ফুটানো হলুদ কাছিমের সংরক্ষণ কর্মসূচির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
২০২৩ সালে ছয়টি ডিম দিয়েছিল আটটি বয়স্ক হলুদ কাছিম। সার্বিক পরিবর্তনের ফলে তাদের স্থানান্তর করা হয়েছিল ৩৩ দশমিক ৭৯ বর্গমিটারের খাঁচায়। গত বছর এই সংকট কাছাকাছি উপস্থিত হলুদ কাছিমের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি বাচ্চা জন্ম হয়েছিল, যা কিছুদিনের মধ্যে মৃত্যু বরণ করে। বর্তমানে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় প্রায় ৬৮ প্রজাতির পশুপাখি রয়েছে। এই পরিবেশ সমৃদ্�