ভেজাল খাদ্য পরীক্ষায় ভ্রাম্যমাণ ল্যাব, চালু হবে ৬৪ জেলায়
ভ জ ল খ দ য পর – ভেজাল খাদ্য পরীক্ষার জন্য সরকার দেশের ৬৪টি জেলায় ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি ভ্যান চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই সংকল্পে সরাসরি মিনি ল্যাব স্থাপন করা হবে, যার মাধ্যমে জেলা, উপজেলা এবং গ্রাম পর্যায়ে ভেজাল খাদ্য শনাক্ত করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। নতুন পদক্ষেপটি জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাথে সাথে গ্রাহকদের আশা অনুযায়ী খাদ্য নমুনার পরীক্ষা দ্রুত গ্রহণ করা হবে।
প্রাথমিক বিবরণ
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেজাল খাদ্য পরীক্ষার জন্য ব্যাপক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি একটি নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে ভেজাল প্রতিরোধ ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়িয়ে তোলার উদ্দেশ্য ব্যক্ত করেন। এই পরিবর্তন গ্রামীণ এলাকায় ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর একত্রে কাজ করছে।
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী খাদ্য নিরাপত্তা এখন দেশের প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। ভেজাল খাদ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে নতুন পদক্ষেপটি কৃষি এবং মৎস্য বিভাগ সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ভেজাল খাদ্য পরীক্ষার জন্য সরকার বিএসটিআই ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যুক্ত করেছেন। এগুলো অভিযান চালানোর মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহে দূর্বলতা দূর করতে সহায়তা করবে। জাতীয় সংসদে ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল কর্তৃক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছিল যে ভেজাল খাদ্য পরীক্ষার যন্ত্রপাতির অভাবে আদালতগুলির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য আধুনিক পদ্ধতির খাদ্য নমুনা পরীক্ষা ক্ষমতা বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্তমানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ৬৪টি জেলায় ৭২টি মিনি ল্যাবরেটরি স্থাপন করেছে। প্রতিটি ল্যাব সুবিধার মাধ্যমে ভেজাল খাদ্য নমুনা শনাক্ত করা হবে এবং তা দ্বারা জনগণের খাদ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা জনপ্রিয় হবে। আগামী মাসে পরীক্ষার কাজ বৃদ্ধি করা হবে এবং বর্তমান বছরে আরও বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
ভেজাল খাদ্য পরীক্ষা কর্মসূচিতে মোবাইল ল্যাবরেটরি ভ্যানগুলোতে ঘি, দুধ এবং শাকসবজি সহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে পরীক্ষা করা হবে। এই পরীক্ষাগুলো জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে এবং তা দ্বারা পরিবারগুলোকে অপরাধী খাদ্য পণ্যের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে। সরকার এই প্রকল্প