ব্রাজিলের স্মৃতি ফিরিয়ে কুরাসাওকে গোলবন্যায় ভাসাল জার্মানি
ব র জ ল র স ম – জার্মানির স্বাগতিক ম্যাচে তারা শুরুটা আশা অনুযায়ী করেছিল। খেলার প্রথম সাত মিনিটে মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচার দ্বারা গোল করে তারা আগে থেকে আগ্রাসী হয়ে ওঠে। কুরাসাও সম্প্রতি করা গোলে ইতিহাসের প্রথম জয় করেছে, যার জন্য দলের সমর্থকেরা গোল উদ্যাপনে আত্মবিস্মৃত হয়ে পড়ে।
২১ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া বল পেয়ে গোল করেন। ম্যানুয়েল নয়্যারকে বাঁ পায়ে শটে পরাস্ত করে তিনি দাপুটে মুখোমুখি হয়েছিলেন। হিউস্টনে ইতিহাস। মাত্র এক লাখের একটু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি মানুষকে বিস্মিত করে দিয়েছে।
ইতিহাস গড়া এই গোলের পর ধারাভাষ্যকার ইয়ান ডার্ক আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, “হিউস্টনে ইতিহাস। মাত্র এক লাখের একটু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি মানুষকে বিস্মিত করে দিয়েছে।”
তবে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাওয়ের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জার্মানির সামনে গোল করার পর তাদের পক্ষে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। কর্নার থেকে হেডে গোল করে নিকো শ্লটারবেক দ্বারা জার্মানি আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। বক্সের মধ্যে ফেলিক্স এনমেচার ফাউল করার পর পেনাল্টি পেয়ে জার্মানি প্রতিপক্ষের শক্তি ঘূরিয়ে দেয়। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে কাই হাভার্টজ দ্বারা আবার গোল করে ব্যবধান ৩-১ করে নেয় জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ পরাজিত হয়। জার্মানি একের পর এক গোল করতে থাকে। ইয়োশুয়া কিমিখের পাস থেকে জামাল মুসিয়ালা দ্বারা ৫২ মিনিটে ব্যবধান চার বা চার করে। পরবর্তী মুহূর্তে নাথানিয়েল ব্রাউন এবং ডেনিজ উনদাভ দ্বারা গোলদাতাদের তালিকায় নাম লেখায় জার্মানি নির্ভরযোগ্য গোল করে।
ম্যাচের শেষ দিকে কাই হাভার্টজ দ্বারা নিজের দ্বিতীয় ও দলের সপ্তম গোলটি করলে জার্মানি ৭-১ গোলে জয় নিশ্চিত করে। একপর্যায়ে সমতায় ফিরে লড়াইয়ের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত জার্মানির আক্রমণের প্রবল ঢেউ সামলাতে পারেনি নবাগত কুরাসাও। এই দাপুটে জয়ে জার্মানরা ইতিহাসে নিজেদের শক্তিমত্তার জোরালো জানান দিল।