নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে
ব য় ব ড় ত হ জ – বয়ে বাড়িতে হাজির ইউএনও ও আদালতের যুগ্ম কার্যক্রমে আত্রাই উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেয়া হয়। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইউএনও মনিরুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংগঠিত অভিযানে মেয়েটির বয়স কেবলমাত্র ১৬ বছর হওয়ায় বিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আত্রাই থানার পুলিশ সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
এ বিয়ের প্রতি দাবী করেছিলেন আত্রাই উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে আজাদ আলী। তিনি নিজের কাছে একটি মুচলেকা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন মেয়েটির বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেয়ার জন্য। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এ বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেয়। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী মেয়ের বাবাকে কেবল একটি নোটিশ দেয়া হয় এবং তাঁর কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। ইউএনও মনিরুজ্জামান জানান, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার জন্য এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গুরুতর হবে।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন কি প্রতিক্রিয়া দিয়েছে?
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী আত্রাই উপজেলায় এ ধরনের কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। এই আইনে মেয়েদের বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত বিয়ে করা যাবে না বলে নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ইউএনও ও আদালতের প্রতিক্রিয়ায় মেয়েটির বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সরাসরি বিয়ে দেয়া হবে না তার জন্য কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই আদালত যুগ্ম কার্যক্রম নিয়ে প্রতিদিন নানা স্থানে পরিচালনা করা হচ্ছে এবং তার মাধ্যমে সামাজিক মান ও সংস্কৃতি বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আব্দুল ওহাব এবং আজাদ আলী দুজনের মধ্যে বিবাদ নিয়ে আলোচনা চলছিল। ইউএনও এবং আদালত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিদিন করা হয়েছে একটি প্রতিরোধ কার্যক্রম। এ প্রতিক্রিয়ায় আত্রাই উপজেলায় সামাজিক মান বৃদ্ধির জন্য প্রতি কয়েক দিনে আবার এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে। এখন পর্যন্ত এ বিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছিল চার দিনের মধ্যে অব্যাহত থাকবে।
বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেয়ার