বিশ্বকাপে কানাডার অপেক্ষাকৃত দুর্দান্ত ড্র দেখায়
ব শ বমঞ চ ক ন ড – বিশ্বকাপে কানাডা ও বসনিয়ার মধ্যে ম্যাচ খেলার সময় কানাডা তাদের প্রধান তারকা ও বায়ার্ন মিউনিখের অধিনায়ক আলফনসো ডেভিসের অনুপস্থিতি ছাড়া সম্পূর্ণ কাঠামো বাঁকিয়ে খেলে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কারণে ডেভিসের প্রতিযোগিতার অভাব পূর্ব থেকে বিশেষ ধারণা ছিল। এই ম্যাচে কানাডা আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জোনাথন ডেভিড ও তাজন বুকানানের ওপর নজর রাখে। ডান প্রান্তে আলিস্টেয়ার জনস্টন ও ইসমাইল কোনে’ তাদের প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে ম্যাচের চালানো কাজে সাহায্য করে।
বসনিয়ার রক্ষণভাগে সেয়াদ কোলাসিনাচ ও তারিক মুহারেমোভিচ সহ অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের প্রয়োগ করা হয়। যদিও তরুণ উইঙ্গার এসমির বাজরাকতারেভিচ ও কেরিম আলাজবেগোভিচ আক্রমণে সাহায্য করে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে কানাডা বসনিয়ার চার ধাপ এগিয়ে থাকার সাথে সাথে বিশ্বকাপে খেলার প্রথম ম্যাচে বসনিয়ার বিপক্ষে কানাডা বল দখল ও শট নেওয়ায় প্রায় অগ্রগতি করে।
ম্যাচের শুরুতে কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এবং প্রথম অর্ধেক সময়ে বসনিয়ার হার্জেগোভিনা বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া দেখায়। লারিয়া কর্নার প্রদান করে বাজিরাতারিভিচের ওপর হামলা চালায়। মেমিচের নেওয়া কর্নার কিকটি কোলাশিনাচের মাথায় লেগে প্রথম গোল অর্থনীত হয়।
দ্বিতীয় অর্ধেক সময়ে কোচ জেসি মার্শ দলে সামান্য বদলি করে। কাইল লারিন মাঠে নামার সময় বিশেষ ভাবে খেলে দুই মিনিট পর ম্যাচের চিত্র বদলে দেয়। কনে দৌড়ে সৃষ্ট আক্রমণে জনাথন ডেভিড পাস করে এবং লারিন বসনিয়ার ডিফেন্ডারকে শারীরিক শক্তি দ্বারা পরাজিত করে শট নেয়। কাটিচের গায়ে লেগে গোল অর্থনীত হয়।
সমতা পুনরায় স্থাপন করার পর কানাডার গ্যালারি যেন নতুন উৎসাহে জেগে ওঠে। স্বাগতিক দর্শকদের গর্জনে স্টেডিয়াম কেঁপে ওঠে। তবে জয়সূচক গোলের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত দুই দল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে। পরবর্তী ম্যাচে কানাডা আগামী ১৯ জুন ভোর চারটায় কাতারের বিপক্ষে খেলবে।