Bangladesh

বাতাস থেকে এসির পানি ‘চুরি’ কতটা বিপজ্জনক

বাতাস থেকে এসির পানি ‘চুরি’ কতটা বিপজ্জনক ব ত স থ ক এস র - গরম মৌসুমে ঘরে ঘরে পানির চাহিদা পূরণের জন্য এয়ার কন্ডিশনারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এই যন্ত্র

Desk Bangladesh
Published July 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাতাস থেকে এসির পানি ‘চুরি’ কতটা বিপজ্জনক

ব ত স থ ক এস র – গরম মৌসুমে ঘরে ঘরে পানির চাহিদা পূরণের জন্য এয়ার কন্ডিশনারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এই যন্ত্র কেবল তাপমাত্রা কমানোর কাজ করে না, প্রতিটি একটি ১.৫ টন এসি ঘণ্টায় প্রায় ১ থেকে ২ লিটার পানি শুষে নেয়। এই পানি বাইরে কনডেনসেট হিসেবে নিষ্কাশিত হয়। এই পানি কোথায় যাচ্ছে এবং কী প্রভাব ফেলছে বায়ুমণ্ডল বিষয়ে অজানা তথ্য সংকলন করা হবে প্রতিবেদনে।

এসি কীভাবে পানি টানে

এয়ার কন্ডিশনারের ইভাপোরেটর কয়েলে তাপমাত্রা বাইরের বাতাসের ডিউপয়েন্টের নিচে নেমে আসে। ফলে বাতাসে প্রস্তুত জলীয় বাষ্প কয়েলে ঘনীভূত হয় এবং তরল পানি হিসেবে ঝরে পড়ে। এই পানি একটি পাইপের মাধ্যমে বাইরে নিষ্কাশিত হয়। গ্রীষ্মকালে উচ্চ আর্দ্রতায় একটি এসি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১ থেকে ২ লিটার পানি নিঃসরণ করে। দিনে ৮ ঘণ্টা চললে সেটি ৮ থেকে ১৬ লিটার পর্যন্ত হতে পারে।

এসির পানি বের হয়ে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এটি কেবল জলীয় বাষ্পকে ঘনীভূত করে তরল পানিতে পরিণত করে। পরোক্ষ প্রভাব কিন্তু বায়ুর আর্দ্রতা কমে গেলে শহরের মাইক্রোক্লাইমেটে পরিবর্তন হতে পারে। স্থানীয় স্তরে গাছপালার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা শোষণ ক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, এই পানি কুলিং টাওয়ারে ব্যবহার করা যায় এবং মেঝে মোছা, গাড়ি ধোয়া বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রে ব্যবহার করা সম্ভব। যেমন, সিঙ্গাপুর, ইসরায়েল এবং আরব আমিরাতে এই পানি পুনর্ব্যবহারের পাইলট প্রকল্প চলছে। দুবাইয়ে একটি বাণিজ্যিক ভবন থেকে বার্ষিক লক্ষাধিক লিটার পানি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি এসি ইউনিট সচল ছিল। ২০৫০ সালে এই সংখ্যা ৫৬০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে।

বিশ্বজুড়ে পানি নষ্ট হচ্ছে কতটা

বিশ্বের মাত্র ৫০ কোটি এসি দিনে গড়ে ১০ লিটার পানি নিঃসরণ করলে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ কোটি লিটার পানি ব্যবহারের ফলে হারায়া যায়। বছরে এই পরিমাণ দাঁড়ায় ১.৮ ট্রিলিয়ন লিটারে। যা বাংলাদেশের মতো দেশের কয়েক বছরের সুপেয় পানির চাহিদার সমান।

বাংলাদেশের পরিস্থিতি

বাংলাদেশ শক্তি নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী দেশে আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখের বেশি এসি ইউনিট চালু রয়েছে। গরম মৌসুমে ঢাকা, চট্ট

Leave a Comment