বিশ্বকাপে ইরানকুন্ডার আন্তর্জাতিক খেলার প্রথম ম্যাচটি বাংলাদেশের বিপক্ষে হয়
টুরস্কের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিপক্ষে ফেরা অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে বিপক্ষে নতুন নজির সৃষ্টি করে
ব ল দ শ র ব পক – গত আসরে শেষ ষোলোয় খেলা অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে তুরস্ককে হতাশায় ডুবিয়ে দুই গোলে শেষ করে। ইরানকুন্ডা ও মেটকাফ যথাক্রমে ২৭ মিনিট এবং ৭৫ মিনিটে গোল করেন।
ইরানকুন্ডা এ বারের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম গোলদাতা হিসাবে পরিচিতি পান। তিনি ২০ বছর বয়সে এই সাফল্য অর্জন করেন। অস্ট্রেলিয়ার কনিষ্ঠতম গোলদাতার রেকর্ড গড়ে তুলেছেন বিশ্বকাপে অভিষেকের পর জালে গোল করার মাধ্যমে।
“দুর্দান্ত গতি, অপ্রতিরোধ্য শক্তি, নিখুঁত কৌশল এবং নির্ভীক ড্রিবল এবং খেলা সম্পর্কে উপলব্ধি ইরানকুন্ডাকে বাকিদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। সবচেয়ে শক্তিশালী হলো ডান পা। এত ভালো ডান পা অস্ট্রেলীয় ফুটবলে সম্ভবত আগে আসেনি।”
ইরানকুন্ডা বুরুন্ডির মূল বাসিন্দা। তিনি তানজানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং অ্যাডিলেডে বড় হন। বুরুন্ডির গৃহযুদ্ধে প্রাণ বাঁচাতে তার পরিবার অস্ট্রেলিয়ায় আসে। তানজানিয়া থেকে পরিবার শিশু বয়সে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করে।
ইরানকুন্ডা প্রথম খেলা অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে হয়। তিনি সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে নিজেকে কনিষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে তুরস্কের বিপক্ষে তার গোল করে নতুন নজির সৃষ্টি করে।
অ্যাডিলেড ইউনাইটেড অ্যাকাডেমিতে তিনি ফুটবল শেখা শুরু করেন। তাদের হয়ে ২০২২ সালে এ লীগে অভিষেক হয়। সেই বছর অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৭ দলে সুযোগ পান। ইউরোপের কয়েকটি প্রথমসারির ক্লাবের আগ্রহ তৈরি হয় তার জন্য।
২০২৪ সালে ইরানকুন্ডা বায়ার্ন মিউনিখে চুক্তিবদ্ধ হন। জার্মানির ক্লাবে দ্বিতীয় দলে খেলার সুযোগ পেলেও প্রথম দলে অবতরণ পান না। তাকে লোনে দেয়া হয় গ্রাসহুপারকে। ২০২৫ সালে তিনি ইংল্যান্ডের ওয়াটফোর্ডে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তার খেলার শৈলী বিশ্লেষণে উইঙ্গার হিসাবে নজর আকর্ষণ করে।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ইরানকুন্ডার গতি এবং বল নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা মনোনয়ন করে। তার ক্ষমতা আরও দূর পর্যন্ত বিস্তার করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।