পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
প ক র ম ছ র খ – নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সম্ভপুর বাধগ্রাম এলাকায় এক যুবক মাছের পুকুরে খাদ্য দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ জুন) বিকেল সময়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত যুবক হলেন উপজেলার সম্ভপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বিমলের ছেলে অমল (২৪)। এই ঘটনার প্রতি স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত তথ্য যুক্ত করা হয়েছে।
মৃত যুবক ও আহত ব্যক্তির বিবরণ
আহত ব্যক্তি জুয়েল (৩৭), তিনি আব্দুল খালেকের ছেলে এবং সম্ভপুর এলাকার একটি ইটভাটায় বাস করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল যোগে ইটভাটা থেকে পুকুরে খাদ্য দেওয়ার জন্য অমল ও জুয়েল সেখানে যান। পুকুরে পানি উত্তোলনের জন্য দুটি বৈদ্যুতিক মোটর ছিল। এর মধ্যে একটি মোটর বন্ধ থাকায় অপরটি পরীক্ষা করতে গেলে জুয়েল তারে স্পৃষ্ট হয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে উদ্ধার করতে গেলে অমলের বুকের ওপর তার পড়ে যায়। তিনিও গুরুতরভাবে আহত হন। আহত জুয়েলের আহত অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পেলে আরও প্রসারিত করা হবে।
খাদ্য দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
সম্ভপুর বাধগ্রাম এলাকায় মাছের পুকুরে খাদ্য দেওয়া একটি সাধারণ কাজ। কিন্তু এই ঘটনায় যুবক অমল ও জুয়েল তাদের খাদ্য দিতে যাওয়ার সময় বিদ্যুতের দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুকুরে পানি উত্তোলনের জন্য দুটি মোটর ছিল। একটি মোটর বন্ধ ছিল, তাই অপরটি পরীক্ষা করতে গেলে জুয়েল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পুকুরের পানি পরিচালনা করার জন্য যে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে সে সম্পর্কে তথ্য পেলে ঘটনার পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।
খাদ্য দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অমল ও জুয়েল যে পদক্ষিপ্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়া হয়েছে তা অপরিসীম চিন্তার উপাদান। বৈদ্যুতিক মোটরের মাধ্যমে পানি উত্তোলনের সময় এলাকার লোকজন কীভাবে নিজেদের জীবন রক্ষা করে তা আরও বিস্তারিত করা হবে। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় কী কী কার্যক্রম অনুসূচিত হয়েছিল তা অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা প্রস্তুত হয়েছেন। অনুসন্ধান চলছে বিদ্যুতের সরঞ্জামের অসুবিধা এবং দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে।
পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎ