জার্মানি বিশ্বকাপে আবার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থিত হচ্ছে
হত শ ক ট ত এব র – হতাশা কাটাতে এবার জার্মানি বিশ্বকাপে আসছে নতুন স্বাদে। গত দুই আসরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল চারবারের বিশ্বকাপ বিজয়ী জার্মানি। তারা এখন সাম্প্রতিক বিশ্বকাপের অপরাজিত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উত্তর আমেরিকায় প্রবেশ করছে। ২০১৪ সালের ফাইনালে মারাকানায় মারিও গোয়েতজের অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ট্রফি জয় করার পর থেকে জার্মানির পরিস্থিতি সবচেয়ে হতাশাজনক হয়ে আসে। এই সময়ে দলটি মাত্র দুই ম্যাচ জিতেছে—সুইডেন ও কোস্টারিকার বিপক্ষে। প্রায় প্রতিটি ম্যাচ সামনের দিকে তাদের খেলা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তুত হয়েছে।
বিশ্বকাপে জার্মানির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে আইভরি কোস্ট
“এলিফ্যান্টস রা ২০১৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ফিরছে।”
তারা নকআউট পর্বে পৌঁছাতে উত্সাহিত হয়েছে। মার্চে চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দুই হারে কুরাসাও তাদের গতি কিছুটা অনুভব করতে পেরেছে। পারিবারিক কারণে অভিজ্ঞ ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকেট দায়িত্ব ছেড়ে দিলে তাদের নতুন কোচ ফ্রেড রুটেনের অধীনে খেলা সুরু হয়েছে। রুটেনের পরিচালনায় দলটি সামনের দিকে কিছু নতুন দিকনির্দেশ নিয়ে গতি ফিরেছে।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে উপস্থিত হওয়ার গৌরব অর্জনের পর কুরাসাওর গতি কিছুটা থমকে গেছে। তবে ইকুয়েডর দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় হয়ে তারা মূল পর্বে প্রবেশ করেছে। বিশ্বকাপের স্বাগতিক স্বাদ আইভরি কোস্ট নিয়ে একটি বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে, যার মূল কারণ হতাশা কাটাতে তাদের স্বাদে একটি নতুন উত্স খুঁজছে।
নতুন আশা ও বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ
হতাশা কাটাতে জার্মানি এবার আয়োজিত বিশ্বকাপে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থিত হচ্ছে, যেখানে তাদের ক্রিকেটারদের দ্বারা জাতীয় আশা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রতিদ্বন্দ্বীতার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ এটি হতাশা কাটাতে এবার বিশ্বকাপে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দলের উত্থানের জন্য একটি অপরিহার্য পরিক্রমা। গত বিশ্বকাপে জার্মানি তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে, যদিও তাদের খেলার গুণগত দিকে পুনরায় স্থাপনের জন্য প্রতিযোগিতার স্বাদ বাড়িয়েছে।
এই বিশ্বকাপে জার্মানির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিশেষ স্থান রয়েছে যে দলের দ্বারা হতাশা কাটাতে বিশ্বকাপে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আইভরি