পাওনা টাকা চাওয়ায় বর্বরতা! দাঁত ভাঙলো স্কুলছাত্রীর
প ওন ট ক চ ওয় য় – পাওনা টাকা চাওয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে আহত করার ঘটনায় বিশেষ আপত্তি উঠেছে। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শিশুদহ গ্রামে ঘটে এই বর্বরোচিত হামলা কিশোরীদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়ায় এবং পুলিশ থানার গৃহীত মামলার সাথে জড়িত হয়েছে পাওনা টাকা চাওয়ায় সংঘটিত হওয়া সম্পূর্ণ ঘটনা। এই বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য স্থানীয় মামারা সামনে আসেন।
অনুসন্ধান প্রক্রিয়া ও পুলিশ কার্যক্রম
পাওনা টাকা চাওয়ায় বিতর্ক উঠতে শুরু হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। গত ৫ জুন ঘটে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়। এতে পাওনা টাকা চাওয়ায় কেন্দ্র করে একটি স্কুলছাত্রী দুর্ব্বাধান হামলার শিকার হয়েছেন। তার স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী সে রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। অভিযোগ অনুযায়ী পাওনা টাকা চাওয়ায় তার মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাত লেগেছে। লোহার রডের আঘাতে তার ছয়টি দাঁত ভেঙে যায়।
পাওনা টাকা চাওয়ায় সংঘটিত হামলার প্রকৃত কারণ
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আঞ্জুয়ারা বেগম এবং শিশুদহ গ্রামের সাদেকুল ইসলামের ছেলে মিজু আহম্মেদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পাওনা টাকার বিষয়ে বিরোধ উঠেছিল। তার বাবা সাদেকুল ইসলাম এবং ভাই শাওন হোসেন সংশ্লিষ্ট হয়েছেন। অনুমান অনুযায়ী পাওনা টাকা চাওয়ায় সংঘটিত হামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া তদন্ন করে পুলিশ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে চরম চিন্তা জাগায়।
স্থানীয় আপত্তি ও ঘটনার প্রতিক্রিয়া
পাওনা টাকা চাওয়ায় সংঘটিত ঘটনার প্রতি স্থানীয় সম্প্রদায় গৃহীত সমালোচনা করেছেন। তারা দাবি করেন পাওনা টাকা চাওয়ায় এতে কিশোরী আহত হওয়ার কারণে এটি একটি বর্বরতামূলক ঘটনা। স্কুলছাত্রীকে দাঁত ভাঙার পর পুলিশের মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়ার কথা আছে। গুরুতর আহত সুমাইয়া আক্তারকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাওনা টাকা চাওয়ায় সংঘটিত হামলার পর এই ঘটনার কারণে চার জন আহত হন।