Bangladesh

ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারে আ.লীগ নেতাদের বই, জব্দ তিন শতাধিক

80475c47-3ecd-4394-bcbd-a7fd293f53ee-0

ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারে আ.লীগ নেতাদের বই, জব্দ তিন শতাধিক

Banglabeacon.com – ভ র ম যম ণ প ঠ – রাজশাহী জেলার ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পর্কে লেখা প্রায় ৩০০টি বই জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তল্লাশি অপারেশনে সেগুলো প্রত্যাহার করা হয়, যা পাঠাগারের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চালু হয়েছিল। এই পাঠাগার গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাভ্যাস বাড়ানো।

ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার কার্যক্রমের আরম্ভে এটি রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গনে অবস্থিত হয়েছিল, কিন্তু প্রাপ্ত বইগুলো তার পূর্বে সেখানে রাখা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এটি তল্লাশির মাধ্যমে তিন শতাধিক বই জব্দ করা হয়, যার মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের সম্পর্কে প্রায় সবগুলো বই রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কার্যালয়ে বইগুলো নিয়ে স্থানান্তর করা হয়, যা পরবর্তী বিশ্লেষণের জন্য রয়েছে।

“ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার যখন স্বৈরাচার পতনের পরও বই প্রস্তুত করে আসছিল, তখন তা পড়তে দেওয়া হত না। আমরা মনে করি এগুলো একটি গোষ্ঠীর আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। বইগুলো জব্দ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রয়েছে।”

ছাত্রদলের অভিযোগ ও কার্যক্রম

রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক লিমন বলেন, ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারে লেখা বইগুলো আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পর্কে নিয়ে রয়েছে। ছাত্রদলের কর্মীরা বাসের ভেতরে তা দেখতে পান। কিন্তু প্রাপ্ত বইগুলো সম্পর্কে আপত্তি জানানোর পর তা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। এই কার্যক্রমে ছাত্রদল প্রতিবাদ করে বোঝায় যে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার কর্মীরা তাদের স্বাধীনতা আঘাত করছেন।

ভ্রাম্যমাণ পাঠাগারের কার্যক্রমে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আওয়ামী লীগ সম্পর্কে গবেষণা ও সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য ছিল। পাঠাগার কর্মীদের দাবি ছিল যে এগুলো বই সাধারণ সামগ্রিক জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এখন তারা এগুলো বই সংগ্রহ করার সময় আওয়ামী লীগের প্রতি নিষ্পত্তি বিস্তার করছেন।

ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার কার্যক্রমের আলোচনা অবশ্যই সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া এবং জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট বইগুলো প্রত্যাহার করে দেখা হয়েছে, যা অভিযোগের পর তা অনুমোদন করেছে। এখন বইগুলো পরবর্তী বিশ্লেষণের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

পাঠাগারের অস্তিত্ব ও প্রতিক্রিয়া

ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার চালু হওয়ার পর থেকে এটি অনেক ছাত্র এবং সাধারণ মানুষের কাছে স্বাগতিক ছিল। প্রতিটি সপ্তাহে বিভিন্ন স্থানে পাঠাগার উপস্থিত হত, যেখানে বই বিতরণ করা হত এবং সংস্কৃতি সংক্রান্ত আলোচনা চালিয়ে যেত। এই প্রক্রিয়ায় ছাত্রদলের আপত্তি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *