নেটওয়ার্কের বাইরের ১০ জেলা আসছে রেলসেবায়
ন টওয় র ক র ব ইর – নেটওয়ার্কের বাইরের ১০ জেলা আসছে রেলসেবায় এ সিদ্ধান্তে সরকারের বিস্তার ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে সরাসরি পরামর্শ দিয়েছেন এবং কাজের প্রাথমিকতা ঘোষণা করেছেন। রাজধানী ও দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত জেলাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে যাতে সেগুলোর মানুষের জন্য নেটওয়ার্কে আসা প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতু রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম তথ্য প্রদান করেন।
জেলাগুলোর বিস্তার ও কাজের গতিবিধি
শেখ রবিউল আলম জানান, শেরপুর থেকে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেল সংযোগ নির্মাণ প্রকল্পে চীন ও কোরিয়া সহ কয়েকটি দেশের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। নেটওয়ার্কের বাইরে রয়েছে সর্বমোট ১০ জেলা যার মানুষ রেলসেবার আশায় কাজের সূত্র খুঁজছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে অনেককাল ধরে সংযোগ হারিয়ে ফেলা জেলাগুলোর মানুষ আর রেলসেবার অপেক্ষায় থাকবেন না। নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা জেলাগুলোর উন্নয়নের জন্য নতুন করে প্রকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলোর কাজের গতিবিধি তদারক করা হবে।
সরকার দীর্ঘদিন ধরে সংযোগের বাইরে থাকা জেলাগুলোতে নেটওয়ার্কে আসছে রেলসেবায় এ কাজে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা দেখিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থা নেটওয়ার্কে আসছে রেলসেবায় প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এটি দেশের বিস্তার ও বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
প্রকল্পের গুরুত্ব ও সম্প্রসারণ
নেটওয়ার্কে আসছে রেলসেবায় প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিস্তারে বিশেষ গুরুত্ব আছে। রেল সংযোগের প্রসার দ্বারা প্রতিটি জেলার মানুষ কম সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করতে পারবেন। নেটওয়ার্কে আসছে রেলসেবায় কাজে প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা আলাদা পরিকল্পনা আছে। এটি একটি প্রতিশ্রুতিমূলক প্রকল্প যে সমস্ত মানুষের প্রতি বিশেষ দৃষ্টিশন্ধি আছে।
বর্তমানে দেশে ৪৯টি জেলা রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত। নেটওয়ার্কে আসছে রেলসেবায় প্রকল্পের মাধ্যমে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যে এখন পর্যন্ত অনেক জেলা রেল সেবার প্রতীক্ষায় রয়েছে। সাথে সাথে এই উদ্যোগে অনেক দেশের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে যে সেগুলো সাহায্য করবে কাজের গতিবিধিতে।
প্রকল্পে সম্মিলিত কাজ
পদ্মা ও যমুনার দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সাথে নেটওয়ার্কে আসছে রেলসেবায় কাজ সম্পন্ন হতে পারে। পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে অতিরিক্ত মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং সেখানে গাছ লাগানো হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। নেটওয়ার্কে �