বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে ফলোনো
ন র ধ র ত সময় ১ – বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ এর জার্মানি ও প্যারাগুয়ে ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে সমতা ঘোষণা করে। এই সময়ে কোনও একটি গোল দেখা যায়নি এবং প্রথম অর্ধেক খেলায় দুই দল প্রায় সমতুল্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল। প্যারাগুয়ে সুযোগ ব্যবহার করে গোল করে সমতা গড়ে তুলেছিল, যেখানে জার্মানি আগ্রাসন করে ছিল কিন্তু সময়ে রক্ষণ দুর্দান্ত করেছিল। অতিরিক্ত সময় শুরু হয় যখন দুই দল সমান পয়েন্ট ছিল এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিট ব্যবহার করে ফল নির্ধারণ করা হয়।
প্রথমার্ধে জার্মানির অগ্রগতি বিপর্যয় ঘটেছিল
প্রথম অর্ধেক খেলায় জার্মানি অগ্রগতি বজায় রেখেছিল কিন্তু প্যারাগুয়ের নির্ধারিত সময়ে সমতা গড়ে তুলেছিল। ম্যাচের ৪২ মিনিটে জার্মানি কর্নার ব্যবহার করে বল ক্লিয়ার করে, কিন্তু প্যারাগুয়ের জর্জ কাসেরেস দুর্দান্ত ট্যাকলে বল বাঁচিয়ে নেন। মিগুয়েল আলমিরন ও মাতিয়াস গালারজার সমন্বয়ে একটি আক্রমণ গড়ে ওঠে, যেখানে গালারজার নিখুঁত ক্রসে দারুণ টাইমিংয়ে দৌড়ে এসে হেড করেন জুলিও এনসিকো। বলটি কিংবদন্তি জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ালে প্যারাগুয়ে সমতা ব্যবধানে আগে থাকে।
দ্বিতীয় অর্ধেক খেলায় সমতা বিপর্যয় ঘটেছিল
প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ে এগিয়ে থাকার পর জার্মানি বেশি আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে অবশেষে প্যারাগুয়ের রক্ষণ ভাঙতে সক্ষম হয় তারা। ফ্লোরিয়ান উইর্টজ বক্সে সুন্দর বল পাঠিয়ে দেন, কিন্তু কাই হাভার্টজ সেটি নিখুঁত স্পর্শে গোলপোস্ট করে দেন। এই সময়ে নির্ধারিত সময়ে জার্মানি ফিরে আসে এবং দ্বিতীয় অর্ধেক খেলার মাঝে সমতা ফেরায়। এই পয়েন্টে দুই দলের পারফরম্যান্স নির্ধারিত সময়ে একটি প্রকাশ্য পরিস্থিতি তৈরি করে।
অতিরিক্ত সময়ে ফল নির্ধারণের ক্রম
নির্ধারিত সময়ে সমতা দেখা গেলে ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে খেলা চালু হয়। গোল করার সময় বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ এর খেলার মুখোমুখি সময় কমপক্ষে ৯০ মিনিট ব্যবহার করা হয়। এই পর্যায়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের পরিশ্রম এবং সঠিক সময়ে নির্ধারিত সময়ে সমাপনের ক্রম কিছু পরিবর্তন আনে। অতিরিক্ত সময়ে একটি নতুন চালানো হয় যেহেতু ম্যাচের সমাপনের জন্য একটি নির্ধারিত সময়ে প্রতিপক্ষের প্রতিবাদ দেখা যায়।
গোল করার প্রয়োজন হলে খেলোয়াড়দের আক্রমণ বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ে সমাপন ঘটিয়ে একটি অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ চলে। এই পর্যন্ত কোনও গোল করা হয়নি এবং খেলার সমাপন অপেক্ষাকৃত বেশি সময়ে ঘটেছিল।
গোল করার জন্য খেলোয়াড়দের প্রয়োজন ছিল নির্ধারিত সময়ে
অতিরিক্ত সময়ে দুই দল আরও কঠিন চালানো হয়। কিংবদন্তি জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেলে প্যারাগুয়ে আবারও নির্ধারিত সময়ে গোল করতে সক্ষম হয়। এই সময়ে জার্মানি খেলোয়াড়দের প্রয়োজন ছিল প্রতিপক্ষ