দুই দশকের ব্যবধান ঘুচিয়ে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া মেসি ও ইয়ামাল
দ ই দশক র ব যবধ ন – ২০০৭ সালে বার্সেলোনায় একটি চ্যারিটি ফটোশুটের মাধ্যমে দুই দশকের ব্যবধান ঘুচিয়ে মেসি ও ইয়ামালের জীবনে একটি অপ্রতিহত সংঘাত রূপে পরিণত হয়েছিল। সেই সময় লিওনেল মেসি ২০ বছর বয়সী ছিলেন, যখন ইয়ামাল মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শিশু ছিলেন। মেসি তার ছোটো বন্ধুকে গোসল করাতে সাহায্য করেন, যে ছবি এখন রূপকথার গল্পের মতো বাস্তবে পরিণত হয়েছে। দুই দশকের ব্যবধানের পর তাদের মধ্যে সামনে আসা সাধারণত সুদূর ভবিষ্যতের একটি সম্ভাবনা হিসেবে বিবেচিত হত কিন্তু কেউ কল্পনাও করতে পারেনি যে ইয়ামাল এত দ্রুত বিশ্বকাপের ফাইনালে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করবে।
২০০৭ সালের সেই প্রথম ছবি
মেসি এই ঘটনার বিষয়ে জানান, সেই ছবি আমাদের কাছে পাগলামির মতো লাগে। দুই দশকের ব্যবধান তখন মেসি এবং ইয়ামালের মধ্যে আর কিছু ছিল না। আমি যখন তরুণ ছিলাম, তখন একটি ছবি তুলেছিলাম ওর সঙ্গে। কিন্তু আজ এই দুই দশকের ব্যবধান বিশ্বকাপের ফাইনালে তাদের মুখোমুখি দাঁড়াচ্ছে। এই দুই দশকের ব্যবধান কেবল একটি শুরুতে ছিল, তবে এখন তা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ম্যাচে পরিণত হয়েছে।
এই দুই দশকের ব্যবধানের প্রতিটি মুহূর্ত তাদের ক্যারিয়ারের বিশাল বিস্তারের সূচনা করেছিল। বার্সেলোনায় ইয়ামাল শিশু হিসেবে সাইন করার পর থেকে তার সাথে মেসির সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীরতর হয়ে ওঠে। দুই দশকের ব্যবধান যেহেতু ছিল তাদের প্রথম মুখোমুখি হওয়ার জন্য সম্ভব ছিল না কিন্তু এখন তাদের মধ্যে একটি অপরিহার্য সম্পর্ক বিক্ষিপ্ত হয়েছে।
আজকের বিশ্বকাপে মুখোমুখি হওয়া
আমি ওকে খুব কাছ থেকে অনুসরণ করি কারণ ও এমন এক ক্লাবে খেলে যাকে আমি ভালোবাসি। আমি সবসময়ই ওর মঙ্গল কামনা করি। ও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা মানে পৌঁছে গেছে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই। ওর পুরো ক্যারিয়ারটাই সামনে পড়ে আছে। ওর সামনে ইতিহাস গড়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে, তবে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যেন এই দফায় সেটা ও করতে না পারে। আমি শুধু ওর জন্য শুভকামনা জানাতে পারি।
বার্সেলোনায় এই দুই দশকের ব্যবধান যে কোন প্রতিভার সাথে সামনে আসছে তা আজ বিশ্বকাপের ফাইনালে পরিণত হয়েছে। দুই দশকের ব্যবধানে একজন বিশ্ব তারকা কাছাকাছি আসে কিন্তু বিশ্বকাপের ফাইনালে তাদের মুখোমুখি দাঁড়ানো কোনো অবিস্মরণীয় ঘটনা হিসেবে স্থান পাচ্ছে। দুই দশকের ব্যবধান নিয়ে বিশ্বকাপে মেসি ও ইয়ামালের মধ্যে যে সংঘাত ঘটেছে তা পূর্ব থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে নিখুঁত প্রমাণ হিসেবে গণ