দিল্লির রাজপথে আগামী শনিবার আন্দোলনের আগুন পুনরায় জ্বলে উঠতে পারে
দ ল ল ক জ ব ল – বর্তমানে দিল্লির রাজপথ শনিবার পর্যন্ত উত্তাল হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান যদি আগামী শনিবার পর্যন্ত পদত্যাগ না করে, তবে আরশোলাদের আন্দোলন আবার বড় উত্তেজনায় পরিণত হতে পারে। সরাসরি এই হুমকি দেয়া হয়েছে এনইইটি সহ বিভিন্ন পরীক্ষার অনিয়মের দায় নিয়ে মন্ত্রীকে সরিয়ে দিতে হবে।
যুব আন্দোলন সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবীণ, মধ্যবয়সী এবং পরিবার সহ অনেকে এই আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেছেন। বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বগুলির অংশগ্রহণ দেখা গেলে এই প্রতিবাদের রাজনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। সোনাম ওঙচুক, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এবং অ্যানি রাজা সহ বিশিষ্ট নেতাদের উপস্থিতি এই আন্দোলনকে আরও বলিষ্ঠ করে তুলেছে।
অনিয়মের সামনে স্পষ্ট দাবি
প্রতিবাদের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সমালোচনা। এনইইটি, সিবিএসই, সিইউইটি ও এসএসসি পরীক্ষাগুলিতে অনিয়মের অভিযোগে এই আন্দোলন জন্মগ্রহণ করেছে। বর্তমানে এটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি প্রশাসন এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তার দাবি সামনে রেখে একটি নতুন রাজনৈতিক প্রবাহ গড়ে তুলেছে।
“ভয় দেখিয়ে এই লড়াই থামানো যাবে না। ছাত্র-যুবরা বিক্রি হয়ে যায়নি,” বলেন আন্দোলনের নেতা অভিজিৎ দীপক।
অভিজিৎ দীপক যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি দিল্লিতে আসেন প্রতিবাদে। তাঁর হাতে ছিল বিআর আম্বেদকরের আত্মজীবনী যা আন্দোলনের সাংবিধানিক স্থান নির্দেশ করে। ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি বিরুদ্ধে জনতা সরব হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে সামনে সমাপ্তির জন্য কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিপুল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হলেও আন্দোলন শান্তিপূর্ণ রয়েছে। কিছু জায়গায় উত্তেজনা প্রতিরোধে কয়েকজনকে আটক করা হয়।
সরকার যদি আগামী শনিবার পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ না নেয়, তবে আন্দোলন আবার বৃহত্তর আয়োজনে পরিণত হতে পারে। শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যত নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছতা এই আন্দোলনের মূল দাবি।