Bangladesh

চুয়াডাঙ্গায় অপহৃত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গায় অপহৃত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার চ য় ড ঙ গ য় অপহ - চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে নিখোঁজ হওয়া যুবক রাফিন (২২) নামের মরদেহ অর্ধগলিত

Desk Bangladesh
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চুয়াডাঙ্গায় অপহৃত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

চ য় ড ঙ গ য় অপহ – চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে নিখোঁজ হওয়া যুবক রাফিন (২২) নামের মরদেহ অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি ঘটেছে সাত দিন পর পুলিশ ক্যাম্প ও স্থানীয় বাসিন্তে একত্রে অনুসন্ধানের ফলে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক শাহাজুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রাতে খালের জল থেকে মরদেহ আবিষ্কৃত হয়। স্থানীয় বাসিন্তে সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক পরিদর্শনে মরদেহটি রাফিনের পরিচিতি করা হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের চিলাভালকি গ্রামে বাস করতেন। তার বাবা আলম হোসেন বলেন, পুত্রের অপহৃতির সংবাদ পেয়ে সমস্ত পরিবার এবং প্রতিবেদন দিয়ে তদন্না শুরু করেন।

অপহৃতি এবং মরদেহের উদ্ধারের প্রক্রিয়া

রাফিন বৃহৎ পরিবারের সদস্য ছিলেন যাদের আবেদনে স্থানীয় নাগরিকদের সাথে সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় সংস্থাগুলো অনুসন্ধান কাজে সহায়তা করেছিল। অপহৃত যুবকের বিষয়ে প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন কিছু গোপন উদ্দেশ্যে। স্থানীয়রা তাঁকে বের করতে গেলে নিহতের দাদি আমেনা খাতুন একাই মরদেহটি শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, অপহরণকারীদের কোনও জানাজানি ছিল না, কিন্তু তারা রাফিনকে ফোনে মারধরের শব্দ শোনাতে চেষ্টা করেছিল। আবেদন দিয়ে আবেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর পরিবার।

এ ঘটনার পর পুলিশ ক্যাম্প এবং স্থানীয় বাসিন্তে একত্রে কাজ করে। তদন্নার চূড়ান্ত ফলাফল ঘটনাটি নিয়ে জনমত জোগায়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পুলিশ ক্যাম্পের সিটি সহকারী উপপরিদর্শক মন্তব্য করেন যে, অপহৃত যুবকের মরদেহের অবস্থা দেখে বোঝা গেছে যে, তিনি কিছুকাল ধরে বন্দি ছিলেন। তিনি বলেন, অপহরণ ঘটনাটি তদন্নার সময় সম্পূর্ণ সমাপ্ত হয়নি। তদন্নার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সমস্ত সম্পর্কিত বিষয়গুলো চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পুলিশ ক্যাম্প তদন্না করছে।

পরিবারের আবেগ এবং মন্তব্য

রাফিনের দাদি আমেনা খাতুন বলেন, তার পুত্রের অপহৃতির খবর পেয়ে তিনি অত্যন্ত আঁশ হয়েছিলেন। তার মতে, অপহরণকারীদের সঙ্গে তাঁর পুত্র কোনও বিবাদ ছিল না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাফিন কিছু গোপন কাজে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি বলেন, তার পুত্রের মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবার পুনর্জন্ম ঘটনার প্রতি নতুন আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়টি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পুলিশ ক্যাম্পের তদন্নার বিষয়ে আরও খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

অপহৃত যুবকের নিখোঁজ হওয়া ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পুলিশ ক্যাম্পের কার্যক্রম একটি স্থায়ী আবেগ ঘটিয়েছিল। স্থানীয়রা বলেন, মরদেহের উদ্ধারের পর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সমাজে একটি বিশৃঙ্খলা বিস্তার হয়েছে। তদন্নার সময় মরদেহে

Leave a Comment