সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় নব বিচার রায় ঘোষণা
স রঞ জ ত স নগ প – সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী জনসভায় হামলার ঘটনা নিয়ে বিচার শুরু হয়েছিল। সেই মামলার বিচার শেষে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আজিজ নাঈমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। একই রায়ে লুৎফুজ্জামান বাবর ও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৯ জনকে খালাস দেয়া হয়।
বিচারক স্বপন কুমার সরকার ঘোষণা করেন রায়। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন এই ফেসিস্ট সরকারের রায়কে নিশ্চিত করেন। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বর্তমান হুইপ জি কে গউছ। রায় প্রকাশের সময় তারা সকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
অভিযুক্তদের নিয়ে বিচার শুরু হয়েছিল
মামলার বিবরণী অনুযায়ী ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে একটি সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ঘটে। তাতে একজন যুবলীগ কর্মী মৃত্যুবিধান করা হয় এবং ২৯ জন আহত হন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সেই হামলায় কিছুটা আহত হন। দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন বিচার শুরু করেন।
তদন্ত শেষে ২০২০ সালে লুৎফুজ্জামান বাবর ও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। আসামির মধ্যে ৬ জন কারাগারে, ৩ জন জামিনে এবং একজন পলাতক ছিলেন।
রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে গত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের এই মামলায় জড়িয়েছিল। এজাহারে আমাদের নাম ছিল না, পরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সম্পূরক চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আজ রায়ের মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
দীর্ঘদিন কারাবন্দী রেখে তাকে হয়রানি করা হয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার পেয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজিজ নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তার ভাইকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।