প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর
চ ন ম ড য় র চ – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে বসার পর তিনি চীনকে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বিদেশ সফরের জন্য বেছে নেন। বিশ্বের প্রায় সমস্ত জায়গায় ভূরাজনৈতিক মেরুকরণ ঘটছে বেশি পরিমাণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। চীনা মিডিয়ার প্রতিবেদনগুলো থেকে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর সফরের গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
প্রতিবেদনগুলো থেকে প্রধান নজর
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া এবং চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন (সিসিটিভি) তাদের প্রধান বুলেটিনগুলোতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ‘ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। চীনা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সরকার এই সফরে চীনের সাথে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এছাড়াও তাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রযুক্তি ও বিশেষ প্রচার কাজের দিকে নিয়ে গেছে।
“বাংলাদেশের এই সফর নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর অহেতুক হইচই করার কোনো কারণ নেই,” এই বক্তব্য চীনের রাষ্ট্রীয় মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়ে ছিল। সংবাদমাধ্যমটি বলছে যে বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের এই প্রস্তাবিত বৈশ্বিক উন্নয়ন রূপরেখা চীন সফর দ্বারা তারা ভারতের প্রভাব বলয়কে চ্যালেঞ্জ করছে।
চীনের কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রতিবেদনগুলোতে একটি স্পষ্ট বক্তব্য আছে যে বেইজিং প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেবল প্রতিবেদন হিসেবে দেখছে না। তারা এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের প্রধান ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারের সাথে এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করছে।
অন্তত ১৫টি বড় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে যা অবকাঠামো থেকে গ্রিন এনার্জি পর্যন্ত বিস্তৃত। চীনা মিডিয়ার বিশ্লেষণ অনুযায়ী এই সফর ভারতের প্রভাব বলয়কে ধীরে ধীরে ভেঙে দিচ্ছে।
বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে অবকাঠামো ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশেষ সহযোগিতার চুক্তিও স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। চীনা মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) এবং বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এই ধরনের বিশেষ সম্পর্ক প্রস্তাব আছে যা দ্বিপাক্ষিক ভাবে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত ও সাংস্কৃত