বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হার বৃদ্ধি পাচ্ছে
বর ষ র শ র ত স – বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু সংক্রামক রোগের আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্ধির প্রতিকার করতে পারছে না কোনো বয়সী। গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ জন মানুষ এই রোগে মারা গেছেন, যা এ বছরের সর্বোচ্চ এক দিনে মৃত্যুর রেকর্ড। এ ছাড়া ঢাকার বারান্দায় স্বজনদের আহাজারি ও আইসিইউ বাইরে থমথমে নীরবতা দেখা যাচ্ছে। সারাদেশে প্রতিদিন রোগের হার প্রতিদিন ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৪ জন। বরিশাল বিভাগে এ সংখ্যা সর্বোচ্চ ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৮ জন রয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে যথাক্রমে ১৬ ও ১৭ জন, খুলনায় ১৪ জন এবং রাজশাহীতে ৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন করে আক্রান্ত।
যেহেতু বর্ষার শুরুতে এডিস মশার ডানা ঝাপটানো হচ্ছে, তাজা প্রাণ একের পর এক নিভে যাচ্ছে। প্রতিদিন এই গ্রাফ কেবলই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে পরিস্থিতি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও খ্যাতনামা কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, “এখন থেকে প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত বাড়বে। আগামী আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে আরও বেশি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “মানুষ নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে এডিস মশার প্রজনন না হয়। এ জন্য আগাম ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”
সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির জন্য আগাম ডেঙ্গু ওয়ার্ড ও বেড প্রস্তুত রাখতে হবে বলে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন। তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ক্ষুদ্র প্রাণী মশার জন্য মানুষের জন্য বড় হুমকি রয়েছে।
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১২৬ প্রজাতির মশা শনাক্ত হয়েছে। ঢাকায় রয়েছে ১৪ থেকে ১৬ প্রজাতি। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ এনসেফালাইটিস সহ মশাবাহিত রোগগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য এখন বড় হুমকি।
বিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং জনসচেতনতার অভাবের ফলে এডিস মশার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফুলের টব, প