Bangladesh

চাষাঢ়ায় বোমা হামলা: ২৫ বছর ধরে ঝুলছে মামলা

চাষাঢ়ায় বোমা হামলা: ২৫ বছর ধরে ঝুলছে মামলা তারিখ স্থির হয়নি বিচারের দিন চ ষ ঢ় য় ব ম হ - ২০০৪ সালের ১ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ঘোষণা করেছিল বোমা হামলার মামলার রায়

Desk Bangladesh
Published June 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চাষাঢ়ায় বোমা হামলা: ২৫ বছর ধরে ঝুলছে মামলা

তারিখ স্থির হয়নি বিচারের দিন

চ ষ ঢ় য় ব ম হ – ২০০৪ সালের ১ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ঘোষণা করেছিল বোমা হামলার মামলার রায় দেওয়ার তারিখ। কিন্তু সেদিন বিচার হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর একেএম ওমর ফারুক নয়ন জানান, সম্পূর্ণ অভিযোগপত্রের মূল কপি আদালতে প্রেরণ না করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তলব করা হয়েছে। পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়া চালু হবে বলে জানান তিনি।

বিস্ফোরণ ঘটনার পটভূমি

২০০১ সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। বিকেলের আলো ম্লান হতে শুরু করেছে এমন সময়ে হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। ঘটনার মুহূর্তে ধোঁয়া আর আতঙ্কে ঢাকা পড়ে যায় চারপাশ। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বহু নেতা-কর্মী। কয়েক মিনিটের তাণ্ডবে প্রাণ হারায় ২০ জন মানুষ। আহত হন তৎকালীন সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান সহ অর্ধশতাধিক মানুষ।

বিচারিক জটিলতা ও তদন্তের বিবরণ

বোমা হামলার পর হত্যা ও বিস্ফোরণ আইনে দুটি মামলা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা। এতে আসামি হন বিএনপির ২৭ জন নেতা-কর্মী। তাদের মধ্যে ছিলেন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার এবং শওকত হাশেম শকু। ২০০৩ সালে পুলিশ জানায় এজাহারে নাম থাকা কেউই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তদন্তকারী কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তখন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল বিএনপি।

তদন্তের পরিবর্তন এবং নতুন আসামি

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ফিরে পেয়ে মামলাটির পুনঃতদন্ত শুরু হয় পুলিশের সিআইডি বিভাগে। চার বছর ব্যাপী তদন্ত শেষে ২০১৩ সালে মামলায় মোট ৯৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়, আবার ৩১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, জঙ্গি নেতা ওবায়দুল্লাহ রহমান এবং অন্যান্য ব্যক্তি।

সাক্ষীর অভিযোগ ও বর্তমান অবস্থা

২০২০ সালে আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে শামীম ওসমান অভিযোগপত্রের প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, “অভিযোগপত্রে অনেকের নাম রয়েছে যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন, আবার প্রকৃত অপরাধীদের নাম বাদ পড়েছে।” এই বক্তব্য মামলাটিকে আবার গুরুতর আলোচনার মুখে নিয়ে আসে।

হত্যা ও বিস্ফোরণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ছিলেন চন্দন শীল এবং রতন দাস। গুরুতর আহত হয়ে তারা পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

এই মামলার সাক্ষী ও ভুক্তভোগী পরিবারের কয়েকজন বর্তমানে প্রকাশ্যে নেই। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নেতা-কর্মীরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। অন্যদিকে নাম

Leave a Comment