গ্লোবাল সাউথ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ঘিরে ভারতের ডাবল ট্রাবল
পররাষ্ট্রনীতির দুই প্রতিষ্ঠান মধ্যে বিপর্যস্ততা
গ ল ব ল স উথ ইন – ভারতের বৈদেশিক নীতি গ্লোবাল সাউথ ও ইন্দো-প্যাসিফিক দুটি স্তরে ক্রমবর্ধমান সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। তবে বর্তমানে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভাষা এবং বাস্তব প্রভাবের মধ্যে একটি নোংরা ফাঁক প্রকট হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দেখায় নেতৃত্ব গঠন করতে ভারতের যে ক্ষমতার দরকার হয়, তা তার হাতে সীমিত।
গ্যালওয়ান ভ্যালি ঘটনার পর থেকে ডোভাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু ওয়াং ই তাকে একটি সম্প্রসারিত স্তরে নিয়ে আসেন, যেখানে চীন গ্লোবাল সাউথকে কূটনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করছে নয়, বরং অর্থনৈতিক প্রাধান্যের মাধ্যমে একটি প্রাবল্য গঠন করছে।
অন্যদিকে ইন্দো-প্যাসিফিক পরিকল্পনা বিষয়েও ভারতের বক্তব্য আর এক বিপর্যস্ত স্তরে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে এই সংকল্প বৃহত্তম গণতন্ত্রের স্বীকৃতি ছাড়া অপরিসংখ্য হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ট্রাম্প আমলে প্যাসিফিক ক্ষেত্রটি কেন্দ্রীয় হয়ে ওঠার পর, ওয়াশিংটনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভারতের ভূমিকা আরও বেশি নির্ভরশীল হয়েছে।
গাজার ঘটনা হিসেবে ভারতের নৈতিক আধিপত্য
গাজা প্রসঙ্গ ভারতের নৈতিক অবস্থানের সামনে একটি প্রতিকূল পরিবর্তন দেখায়। যখন বিশ্বের বড় অংশ ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে, তখন ভারত সন্ত্রাসবাদ ও আত্মরক্ষার বিষয়ে সম্পূর্ণ স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া দেখায় না। এটি প্রতীকী বক্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে চীন বাস্তব প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার করে উঠছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ভারতের স্বতন্ত্র কূটনৈতিক ধারণাকে আত্মপ্রক্ষেপণের রূপে পরিণত করছে।
প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এন্ট্রি গ্লোবাল সাউথে কূটনৈতিক সংযমের দিকে অগ্রসর হয়েছেন। ফলে নয়াদিল্লির বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্যতা ও বাস্তব প্রভাব নিয়ে সাংঘর্ষিক হয়ে ওঠে।
অর্থনৈতিক সম্পদ ও স্থিতির কাঠামো
বৃহৎ অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারত চীনের তুলনায় পিছনে পড়েছে। ওয়াং ই বলেন, গ্লোবাল সাউথ হলো একটি ক্ষমতার বিস্তারের মাধ্যম। কিন্তু ভারত সেই ধারণাটি প্রাচীন ঐতিহ্য এবং নৈতিক অবস্থানের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ করতে পারছে না।
ভারতের সরকার অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির অভাবের কারণে সেই ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সামনে স্থান নেয়া কঠিন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ক্ষীণ হয়ে আসার কারণে ভারত গ্লোবাল সাউথে নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব হয় না।
অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা বিশ্লেষণ
পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, মোদী সরকারের প