লটকন ফলনে দুর্ভাগ্য বশতঃ খরা ও অতিবৃষ্টি
খর ও অত ব ষ ট ত – খরা ও অতিবৃষ্টির সমন্বয়ে এবার লটকন চাষে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। নরসিংদী জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত লটকনের ফলন সম্পূর্ণ বিপর্যয় ঘটাচ্ছে খরা ও অতিবৃষ্টির মিশ্রণ। গত মৌসুমে বৃষ্টি অভাবে ফলন কমে যাওয়ার পাশাপাশি এবার শিলাবৃষ্টি এবং জলপাতার কারণে ক্ষতি বেড়েছে। খর ও অতিবৃষ্টি তার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এগুলি কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
লটকনের আবাদ ও ফলনের গুরুত্ব
লটকন নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী ফসল। এটি আগে জঙ্গলে বেড়ে ওঠা মাটিতে পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি জেলার প্রধান অর্থনৈতিক উৎপাদনে পরিণত হয়েছে। খর ও অতিবৃষ্টি তার আবাদ কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে এবং এটি ক্ষতির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বছর প্রায় ১ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে লটকনের আবাদ হয়েছে, যার ফলন খর ও অতিবৃষ্টি কারণে প্রায় ৪০ টন কমে গেছে।
“প্রথমে অনেক গুটি এসেছিল, কিন্তু বৃষ্টির অভাবে বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। পরে অতিবৃষ্টিতে অনেক লটকন ঝরে গেছে।”
শিবপুর উপজেলার আজকিতলা গ্রামে মরহুম হাজী হাকিম আব্দুল আজিজ প্রথম বাণিজ্যিকভাবে লটকন চাষ শুরু করেন। তার পরিচর্যার জন্য জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন। তার প্রেরণায় এখন শিবপুর, বেলাব ও রায়পুরা উপজেলার লাল মাটিবেষ্টিত এলাকায় এই ফলের চাষ ব্যাপক হয়েছে। খর ও অতি�