বন্যপ্রাণী ও পাখি পাচারের পেছনে কারা | সংবাদ
ক র বন যপ র ণ ও – গাজীপুরের অরণ্যের মধ্যে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে প্রতিবাদ করে একটি অন্ধকার ব্যবসা উন্মোচিত হয়েছিল সর্বাধিক সামগ্রিক অভিযানে। এই অপারেশনে ময়না ও টিয়া পাখি উদ্ধার করা হয় মোট ১৫টি ও একটি সবুজ টিয়ার সাথে। অপরাধের দায়ে ও চক্রের সাথে সংযুক্ত থাকার জন্য মো. ইব্রাহিম ও মাহিদুল ইসলাম দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৪০০ থেকে ৫০০ বন্যপ্রাণী ব্যবসায়ী বিদ্যমান আছেন। গাজীপুরের বনগুলোতে ফাঁদ বসিয়ে পাখি ধরা হয়ে থাকে এবং এগুলো অনলাইন হাটে বিক্রি করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামগ্রিক প্রচারের মাধ্যমে চক্রটি আন্তর্জাতিক বাজারে পাখি পাচার করে।
পুলিশ তদন্তকারী আনোয়ার সাত্তার বলেন, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরও কারা এই চক্রের পেছনে জড়িত আছে, তা খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।” গোপন আস্তানায় স্থাপিত খাঁচায় পাখি আটক করে রাখার অপরাধের সাথে সম্প্রতি টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ হানা দেয় এবং এর মধ্যে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়।
বিশেষ করে গত বছরের ২৩ মার্চ রাতে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে একটি বিপর্যয় ঘটে। সামনে রাতের অন্ধকারে এই পার্কের নিরাপত্তা বেষ্টনী কেটে তিনটি রিংটেইল লেমুর চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়। বিশ্বে এই প্রজাতির মাত্র ১২০-১৩০টি জীবিত আছে। আইইউসিএন লাল তালিকায় এটি ‘অত্যন্ত বিপন্ন’ প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত।
অনেকে পাখি ব্যবসা ও মিনি চিড়িয়াখানার আড়ালে বিরল প্রজাতির পাখি ও বন্যপ্রাণী গোপনে বিক্রি করছে। কর্মচারী নিপেল মাহমুদ ছিল এই সর্বনাশা পরিকল্পনার মূল হোতা।
পুলিশের অনুসন্ধানে জানা যায়, সাফারি পার্কে এই চুরির পিছনে ছিল পার্কের অভ্যন্তরে এক ঘরের শত্রু বিভীষণ। বন্যপ্রাণী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কর্মচারী এই কাজ করে। যে পাখির কণ্ঠে ভোরের আলো ফোটে, যারা বনের বুক চিরে গেয়ে ওঠে মুক্তির গান, তারা আজ কতিপয় মানুষের টাকার নেশায় বন্দি হচ্ছে লোহার খাঁচায়।
গত বছরের রাতে সামগ্রিক ভাবে বন্যপ্রাণী পাচারের ঘটনা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের নজরে এসেছে। অনলাইন হাট ও ব্যবসায়ী সংস্থার মাধ্যমে বনের মুক